গণভোটে ‘হ্যাঁ’ আদায়ে মাঠে নামছে এনসিপি

যেসব আসনে এনসিপির নিজস্ব প্রার্থী থাকবেন, সেখানে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নেতৃত্বেই গণভোটের প্রচারণা চলবে। আর যেসব আসনে দলীয় প্রার্থী নেই, সেসব এলাকায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে মাঠে কাজ করতে আলাদা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোট ২৭০ জনকে এই দায়িত্ব দেয়া হবে, যারা কেউই সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী নন।

Printed Edition

হারুন ইসলাম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশব্যাপী সংগঠিত প্রচারণায় নামছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে দলটি সারা দেশে বিশেষ প্রতিনিধি বা ‘অ্যাম্বাসেডর’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যেসব আসনে এনসিপির নিজস্ব প্রার্থী থাকবেন, সেখানে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নেতৃত্বেই গণভোটের প্রচারণা চলবে। আর যেসব আসনে দলীয় প্রার্থী নেই, সেসব এলাকায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে মাঠে কাজ করতে আলাদা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোট ২৭০ জনকে এই দায়িত্ব দেয়া হবে, যারা কেউই সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী নন।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আদিব জানান, খুব শিগগিরই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে দেশব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু হবে। প্রতিনিধি বা অ্যাম্বাসেডরদের দায়িত্ব হবে সাধারণ মানুষের কাছে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং কেন ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়া প্রয়োজন তা ব্যাখ্যা করা।

তিনি আরো বলেন, ৩০০ আসনের মধ্যে যেসব আসনে জোটের প্রার্থী থাকবে, সেখানে তারাই প্রচারণা চালাবেন। এনসিপির প্রার্থী না থাকা আসনগুলোতেই ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য আলাদা প্রতিনিধি কাজ করবেন।

এদিকে সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি, গণভোটের প্রচারণা, মাঠপর্যায়ের সমন্বয়, মিডিয়া কার্যক্রম ও মনিটরিং জোরদার করতে এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। ৩১ সদস্যের এই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে এবং সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মনিরা শারমিন।

দলীয় নেতারা বলছেন, পরিকল্পিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে গণভোট নিয়ে জনসচেতনতা বাড়বে এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শক্ত জনমত গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিতে যাচ্ছে এনসিপি। প্রাথমিকভাবে ৩০টি আসনে সমঝোতার আলোচনা হলেও এখনো চূড়ান্ত আসন বণ্টন হয়নি। তবে এরই মধ্যে ৪৪টি আসনে এনসিপির প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন। আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হলে দলীয় প্রার্থীরা সরে দাঁড়িয়ে জোট প্রার্থীদের পক্ষে মাঠে কাজ করবে।