তুর্কি-লেবানন সম্পর্কের দ্রুত উন্নতি ঘটছে

Printed Edition

ইউপিআই

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারের পতন, ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব কমে যাওয়া এবং ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে দ্রুত ঘনিষ্ঠ হচ্ছে তুরস্ক ও লেবাননের সম্পর্ক। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিবর্তন তুরস্ক-লেবানন সম্পর্ককে নতুন কৌশলগত পর্যায়ে নিয়ে গেছে।

তুরস্কের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক লেবাননের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একই সাথে আঙ্কারার সাথে সম্পর্ক জোরদার হলে বৈরুত আঞ্চলিক অংশীদারত্বে বৈচিত্র্য আনতে এবং দীর্ঘদিনের ইরানি প্রভাবের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে। তবে এর অর্থ ইরানের জায়গায় তুরস্কের প্রভাব প্রতিষ্ঠা করা নয়।

লেবানিজ আমেরিকান ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক ইমাদ সালামেই বলেন, লেবানন তুরস্কের কাছে ক্রমেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তার মতে, সিরিয়ার সাথে স্থিতিশীল প্রতিবেশী সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা তুরস্কের অন্যতম অগ্রাধিকার। আর তা অর্জনের জন্য স্থিতিশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ লেবানন প্রয়োজন।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ায় সবচেয়ে প্রভাবশালী বহিরাগত শক্তি হিসেবে তুরস্কের অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের সাথে আঙ্কারার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং উত্তর সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি দেশটিকে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের সুযোগ দিয়েছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষক এজগি বাসারানের মতে, এই শূন্যস্থান পূরণ করে সিরিয়ার প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তুরস্ক এগিয়ে এসেছে।