ছয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী এক বিড়াল

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে গত এক দশকে চরম অস্থির সময় পার হয়েছে। ডাউনিং স্ট্রিট থেকে একে একে বিদায় নিয়েছেন ছয়জন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু এই পালাবদলের ঝড়ের মধ্যেও ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের একটি আসন রয়েছে সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত। সেটা আর কেউ নন-ডাউনিং স্ট্রিটের ‘চিফ মাউসার’ বা প্রধান ইঁদুর শিকারি বিড়াল ‘ল্যারি’!

প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বিদায়ের ঘোষণা সত্ত্বেও ১৯ বছর বয়সী এই বিড়ালটি তার পদেই বহাল থাকছে এবং শিগগিরই সে সপ্তম প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবে।

২০১১ সালে তৎকালীন কনজারভেটিভ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের আমলে ল্যারিকে লন্ডনের ‘ব্যাটারসি ডগস অ্যান্ড ক্যাটস হোম’ থেকে উদ্ধার করে ডাউনিং স্ট্রিটে আনা হয়। ইঁদুর তাড়ানোর ক্ষেত্রে অসাধারণ দক্ষতার কারণে তাকে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘চিফ মাউসার’ পদে নিয়োগ দেয়া হয়।

ল্যারির মালিকদের মধ্যে ডেভিড ক্যামেরনই সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ১০ নম্বরে ছিলেন, যিনি ২০১৬ সালে ব্রেক্সিট গণভোটের পর পদত্যাগ করেন।

ল্যারির দেখা ছয় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

ডেভিড ক্যামেরন : ২০১০-১৬। টেরেসা মে : ২০১৬-১৯। বরিস জনসন : ২০১৯-২২। লিজ ট্রাস : ২০২২।

ঋষি সুনাক : ২০২২-২৪। কিয়ার স্টারমার: ২০২৪-২৬।

বিগত ১৫ বছরে ল্যারি ডাউনিং স্ট্রিটের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। সে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা থেকে শুরু করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মতো বিশ্বনেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করেছে। এ ছাড়া ডাউনিং স্ট্রিটের আঙিনা থেকে একটি শিয়ালকে তাড়িয়ে দিয়ে একবার ব্রিটিশ গণমাধ্যমের প্রধান শিরোনাম কেড়ে নিয়েছিল ল্যারি।