বিশেষ সংবাদদাতা
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। চিকিৎসকরা বলেছেন, খালেদা জিয়ার বয়স প্রায় আশি। দ্রুত সেরে না ওঠার পেছনে বয়স বড় একটা ফ্যাক্টর। এ ছাড়া এ বয়সে নানা রোগেও আক্রান্ত তিনি। কারাগারে যাওয়ার পর থেকে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পাননি।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের একজন চিকিৎসক বলেন, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) উন্নতি হচ্ছে কিছুটা। তবে কাক্সিক্ষত পর্যায়ে বলা যাবে না। বয়সজনিত কারণটা অনেক বড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বয়সে সব চিকিৎসা একসাথে করতে গেলেও উচ্চঝুঁঁকি থেকে যায়। এ দফায় ম্যাডামের চেস্ট ইনফেকশনটা (বুকে সংক্রমণ) বড় ভুগিয়েছে। এটা থেকে সেরে উঠতেই ওনার অনেক ধকল যাচ্ছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার নতুন করে শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে না। এটাই চিকিৎসকদের কাছে ইতিবাচক দিক।
উন্নত চিকিৎসার জন্য আপাতত খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে নেয়ার পরিকল্পনা নেই মেডিক্যাল বোর্ডের। এভারকেয়ার হাসপাতালেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
বিএনপি চেয়ারপরসন খালেদা জিয়া গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেশী-বিদেশী দুই ডজনের মতো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড প্রতিদিন বৈঠক করে তার চিকিৎসায় পরিবর্তন আনছেন।
দেশে ফেরার পর মেডিক্যাল বোর্ডের বৈঠকে সশরীরে অংশ নেন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ ডা: জুবাইদা রহমান। তিনি বৈঠক শেষ করে বাসায় ফেরেন। বলা যায় দিনের বেশিরভাগ সময় হাসপাতালে শাশুড়ির শয্যাপাশে কাটান তিনি। বাসায় থাকার সময়ও টেলিফোনে টাইম টু টাইম তিনি তার শাশুড়ির স্বাস্থ্যের খেঁাঁজখবর রাখছেন এবং চিকিৎসার বিষয়গুলো সমন্বয় করেন ডা: জুবাইদা।



