সর্বত্র নবীজি সা:-এর জীবনাদর্শ অনুসরণে মিলবে সব সমস্যার সমাধান : মুসলিম লীগ

Printed Edition

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের উদ্যোগে গতকাল এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর পল্টনে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আবুড়ীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় নেতারা বলেন, শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ সা: শুধু একজন ধর্ম প্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত মদিনাকেন্দ্রিক মুসলিম রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্র প্রধান, মুসলিম সেনাবাহিনীর প্রথম প্রধান সেনাপতি এবং প্রধান বিচারপতি। ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দে তার নির্দেশনায় প্রণীত হয় বিশ্বের প্রথম লিখিত রাষ্ট্রীয় সংবিধান ‘মদিনা সনদ’ যা সবধর্ম বিশ্বাসীর জন্য সমঅধিকার ও ন্যায়বিচারের অঙ্গীকারসহ তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার এক উজ্জ্বল দলিল। ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার পৌত্তলিক কুরাইশদের সাথে হুদাইবিয়া সন্ধি করে তিনি অসামান্য কূটনৈতিক প্রজ্ঞার নিদর্শন রাখেন।

তারা আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন অমুসলিম গবেষক ও রাজনীতিবিদ হজরত মুহাম্মদ সা:-কে নবী না মানলেও সবাই অকপটে স্বীকার করেছেন, তিনি মহাপুরুষ, রাজনীতিক বাগ্মী, দার্শনিক, ব্যবসায়ী, ধর্ম প্রচারক, সফল সেনাপতি, দক্ষ যোদ্ধা, সুশাসক, সিদ্ধপুরুষ, বর্ণপ্রথা বিলুপ্তকারী, যুগ সংস্কারক, অনাথের আশ্রয়দাতা, ক্রীতদাসের মুক্তিদাতা, নারীদের অধিকার প্রদানকারী, আইন প্রণেতা ও ন্যায়বিচারক। তারা নবী মুহাম্মদ সা:-এর সততা, উদারতা, মানবতা, শাসন ও বিচারে নিরপেক্ষতা ইত্যাদি গুণাবলীর প্রশংসা করতে কার্পণ্য করেননি। সব ক্ষেত্রে নবীজির সা: জীবনাদর্শ অনুসরণ করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে।

আলোচনায় সাংগঠনিক সম্পাদক এস আই ইসলাম মিলন, কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, তারেক জমির সজীব, জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, মহিলা মুসলিম লীগের সভানেত্রী ডা: হাজেরা বেগম, খন্দকার জিয়াউদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন। পরে নবীজির প্রতি দুরূদ পাঠসহ মুসলিম বিশ্ব ঐক্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুস সালাম। বিজ্ঞপ্তি।