সারা দেশে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

Printed Edition
সারা দেশে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত
সারা দেশে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

যথাযোগ্য মর্যাদা, বিনম্র শ্রদ্ধা ও উৎসবমুখর পরিবেশে সারা দেশে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং শহীদদের স্মৃতির প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসের কর্মসূচি। রাজধানীর বাইরে বিভাগীয় শহর থেকে জেলা-উপজেলা পর্যন্ত প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে। কুচকাওয়াজ, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় সর্বস্তরের মানুষ। অনেক স্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয় এবং নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়। দিবস ঘিরে বিভিন্ন স্থানে নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে স্বাধীনতার মূল্যবোধ রক্ষা, গণতন্ত্র সুসংহত করা এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রা এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। দিনব্যাপী এসব আয়োজনে দেশের নানা প্রান্তে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

যশোর অফিস জানায়, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে যশোরে বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে র‌্যালি ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়েছে। সকাল থেকে স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি। জেলা বিএনপি র‌্যালি নিয়ে স্মৃতিস্তম্ভে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করে। এতে দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি উপলক্ষে আগামীকাল জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

রাজশাহী ব্যুরো জানায়, সকালে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীরা জাতির কাছে চিরকাল ঘৃণিত থাকবে। তিনি গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। পরে জেলা মুক্তিযোদ্ধা স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মহানগর বিএনপিও পৃথক কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করে।

বরিশাল ব্যুরো জানায়, বরিশালে বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষায় সজাগ থাকার আহ্বান জানান। তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানান, সূর্যোদয়ের সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। জেলা প্রশাসন, পুলিশসহ বিভিন্ন সংগঠন এতে অংশ নেয়। পুরনো স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয় এবং শিল্পকলা একাডেমিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে জেলার সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা গেছে।

খুবি প্রতিনিধি জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে শোভাযাত্রা গল্লামারী বধ্যভূমিতে গিয়ে শেষ হয় এবং সেখানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা এতে অংশ নেন। দিবসটি উপলক্ষে মন্দিরে প্রার্থনা এবং কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচিও পালন করা হয়।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, মুন্সীগঞ্জে শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। ভোরে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিভিন্ন সংগঠন পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধা জানায়। দিনভর নানা কর্মসূচিতে নারী-পুরুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা যায়। জেলা স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

জামালপুর প্রতিনিধি জানান, ইসলামপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে এমপি এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের সেবায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি জানান, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সূর্যোদয়ের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। পরে কেন্দ্রীয় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন পৃথক কর্মসূচি পালন করে। দিনভর র‌্যালি, আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপিত হয়।

জয়পুরহাট প্রতিনিধি জানান, জয়পুরহাটে সূর্যোদয়ের সাথে তোপধ্বনির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। জেলা বিএনপি, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন কর্মসূচিতে অংশ নেয়। দিনভর নানা আয়োজনে জেলার সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ লক্ষ করা গেছে।

নীলফামারী প্রতিনিধি জানান, সূর্যোদয়ের সাথে শহরের স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন। সকাল ৯টায় বড়মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। এ সময় পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। দুপুরে সার্কিট হাউজে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পিরোজপুর প্রতিনিধি জানান, পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতির গৌরবের প্রতীক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মূল্যবোধ তুলে ধরে আলোচনা করা হয়।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, স্বাধীনতার বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রাজনৈতিক দল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোও শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা জানান, উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তোপধ্বনি ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। এছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠানে খাবার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরীন আক্তারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মুলাদী (বরিশাল) সংবাদদাতা জানান, শহীদদের কবর জিয়ারত ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। সরকারি কলেজ মাঠে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, দোয়া মাহফিল এবং প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।

গাংনী (মেহেরপুর) সংবাদদাতা জানান, গাংনীতে কুচকাওয়াজ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে সংসদ সদস্য নাজমুল হুদা প্রধান অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে দর্শকদের মুগ্ধ করে।

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) সংবাদদাতা জানান, ঘোড়াঘাটে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও তোপধ্বনির মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বেলুন ও শান্তির পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিরসহ স্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা জানান, বিএনপির উপজেলা শাখা দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা আহ্বায়ক হাফিজুল ইসলাম সিকদার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানান এবং স্বাধীনতার চেতনা সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।

নলডাঙ্গা (নাটোর) সংবাদদাতা জানান, নলডাঙ্গায় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছানো জরুরি। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পোরশা (নওগাঁ) সংবাদদাতা জানান, পোরশায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। নিতপুর সরকারি স্কুল মাঠে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

ধামরাই (ঢাকা) সংবাদদাতা জানান, ধামরাইয়ে মহান স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠনও পৃথক কর্মসূচি পালন করে।

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, গফরগাঁওয়ে কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে মিনি স্টেডিয়ামে সম্মিলিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় সংসদ সদস্য সালাম গ্রহণ করেন। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা এতে অংশ নেন।

রাজৈর (মাদারীপুর) সংবাদদাতা জানান, রাজৈরে জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার উদ্যোগে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। পরে আলোচনা সভায় বক্তারা স্বাধীনতার চেতনায় সমাজ গঠনের আহ্বান জানান। এতে দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা জানান, মোহনগঞ্জে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরণ করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এসব কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়।

বাগাতিপাড়া (নাটোর) সংবাদদাতা জানান, বাগাতিপাড়ায় বাউয়েট ক্যাম্পাসে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। এতে উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম লুৎফর রহমান উপস্থিত ছিলেন। পরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।

লোহাগড়া (নড়াইল) সংবাদদাতা জানান, লোহাগড়ায় তোপধ্বনি ও শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা জানান, কাউখালীতে প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইউএনও আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন। বক্তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

সিংড়া (নাটোর) সংবাদদাতা জানান, সিংড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে এমপি অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম প্রধান অতিথি ছিলেন।

গোয়াইনঘাট (সিলেট) সংবাদদাতা জানান, গোয়াইনঘাটে ভোরে তোপধ্বনি ও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিন শুরু হয়। পরে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

কাঞ্চন শিল্পাঞ্চল (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, রূপগঞ্জে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা ও মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

দশমিনা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, দশমিনায় তোপধ্বনির ও শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়।

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা জানান, গফরগাঁওয়ে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউএনও এন এম আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানান, ভাঙ্গায় সূর্যোদয়ের আগে তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। পরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয় এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাঙ্গুনিয়া-কাপ্তাই (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, রাঙ্গুনিয়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠন পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানায়। দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা জানান, গোবিন্দগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্ব দেন।

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, রায়গঞ্জে তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা ও দোয়া-মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

বেলাবো (নরসিংদী) সংবাদদাতা জানান, বেলাবোতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বড়াইগ্রাম (নাটোর) সংবাদদাতা জানান, বড়াইগ্রামে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে এমপি আব্দুল আজিজ প্রধান অতিথি ছিলেন।

রানীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা জানান, রানীনগরে তোপধ্বনি ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। পরে কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, আলোচনা সভা ও মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

রামু (কক্সবাজার) সংবাদদাতা জানান, রামুতে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। পরে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) সংবাদদাতা জানান, কালীগঞ্জে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জামায়াতের উদ্যোগে র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নেতারা স্বাধীনতার চেতনা বাস্তবায়ন ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

সোনাতলা (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান, সোনাতলায় তোপধ্বনি, পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে। পরে মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ধনবাড়ী (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, ধনবাড়ীতে র‌্যালি, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) সংবাদদাতা জানান, নবাবগঞ্জে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার দেয়া হয়।

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, সোনারগাঁওয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠন এতে অংশ নেয়।

শরীয়তপুর প্রতিনিধি জানান, শরীয়তপুরে শহীদ মিনারে জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। দিনভর কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া হাসপাতাল ও এতিমখানায় খাবার বিতরণ এবং বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

পঞ্চগড় প্রতিনিধি জানান, পঞ্চগড় শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে জেলা স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শনী দর্শকদের মুগ্ধ করে। দিবসটি উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয় এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

নাটোর প্রতিনিধি জানান, স্বাধীনতা স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে পৃথক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলর চায় চট্টগ্রামবাসী

চট্টগ্রাম মহানগরীর নাগরিক অধিকার ও সেবার মান নিশ্চিত করতে দ্রুত নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলর দেখতে চায় নগরবাসী। গতকাল বৃহস্পতিবার মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরের আলোচনা সভায় বক্তারা এ দাবি জানান। সংগঠনের মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান বলেন, শ্রমিকের অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক মর্যাদা ছাড়া স্বাধীনতার লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। নগর সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন মকবুল আহমেদ ভূঁইয়া ও ইঞ্জিনিয়ার শিহাব উল্লাহ। বিজ্ঞপ্তি।

মধুপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, মধুপুরে তোপধ্বনি ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। রানী ভবানী সরকারি বিদ্যালয় মাঠে কুচকাওয়াজ, খেলাধুলা ও মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, রাজারহাটে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে, চিত্রাঙ্কন ও ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) সংবাদদাতা জানান, চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের আয়োজনে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে তোপধ্বনি, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

চিতলমারী (বাগেরহাট) সংবাদদাতা জানান, চিতলমারীতে সূর্যোদয়ে তোপধ্বনি ও পতাকা উত্তোলন পরবর্তী শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বিদ্যালয় মাঠে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, খেলাধুলা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা আয়োজন করা হয়।

গোমস্তাপুর (চাঁপাই) সংবাদদাতা জানান, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদদের জন্য দোয়া ও মুনাজাত করেন এমপি ড. মু. মিজানুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির মুন্সী। এ ছাড়া উপজেলা ও রহনপুর পৌর বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়।

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীবের নেতৃত্বে শহরের মিশনপাড়া থেকে র‌্যালি শুরু হয়। প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে একই স্থানে শেষ হয়। র‌্যালি পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মাসুকুল ইসলাম রাজীব স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে দেশ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে

মীর হেলালের আহ্বান

শহীদদের স্বপ্নের সাম্য ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনর্গঠনই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। পরে সিটি মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বিজ্ঞপ্তি।