কুড়িগ্রামে পুশইনের জন্য রাখা ৯ জনের মধ্যে ২ শিশু ও বাবা-মাকে সরানো হয়েছে

Printed Edition

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দু’টি সীমান্তের শূন্যরেখায় চার দিন ধরে অবস্থান করা পুশইন চেষ্টার শিকার ৯ জনের মধ্যে দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাকে আর দেখা যাচ্ছে না। স্থানীয়দের ধারণা, মানবিক কারণে তাদের কোনো এক সময় সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গয়টাপাড়া সীমান্তে দুই শিশু ও এক নারীসহ ছয়জন এবং ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিন যুবককে গত চার দিন ধরে শূন্যরেখায় অবস্থান করতে দেখা যায়। তবে গতকাল সকালে গয়টাপাড়া সীমান্তে গিয়ে স্থানীয়রা দেখতে পান, সেখানে থাকা দুই শিশু ও তাদের বাবা-মা আর নেই।

স্থানীয়দের দাবি, বুধবার গভীর রাতে বা বৃহস্পতিবার ভোরে মানবিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দুই শিশু ও তাদের বাবা-মাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তবে তাদের কোন দেশে নেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা মুস্তাফিজার বলেন, বুধবারও গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জনকে দেখেছি। আজ (বৃহস্পতিবার) গিয়ে দেখি দুই শিশু ও তাদের বাবা-মা সেখানে নেই।

এ ঘটনার পর বর্তমানে গয়টাপাড়া সীমান্তে পুশইন চেষ্টার শিকার দুই যুবক অবস্থান করছেন। অন্যদিকে একই উপজেলার ভন্দুরচর সীমান্তে আরো তিন যুবক এখনো শূন্যরেখায় রয়েছেন। ফলে দুই সীমান্তে বর্তমানে মোট পাঁচজন অবস্থান করছেন। তাদের ঘিরে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি ও বিএসএফ ।

উল্লেখ্য, গত রোববার সকালে রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ছয়জন এবং ভন্দুরচর সীমান্ত দিয়ে তিনজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান নিতে বাধ্য হন।