নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে যৌথবাহিনীর টহল ও অভিযানে অপরাধীচক্রের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। একই সাথে নিকলী, বাজিতপুর, অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইনসহ দুর্গম হাওর এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, শীত মৌসুমে চুরি, ডাকাতি ও গবাদিপশু লুটের ঘটনা বাড়লেও সম্প্রতি সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ তৎপরতায় এসব অপরাধ কমে এসেছে। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, অধিকাংশ অপরাধের সঙ্গে মাদকাসক্ত ও ভবঘুরে শ্রেণির লোকজন জড়িত থাকে। হাওরের কৃষকরা আগে সেচ মেশিন ও গবাদিপশু রক্ষায় রাত জেগে পাহারা দিতে বাধ্য হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
নিকলী উপজেলার জারইতলা ও আশপাশের হাওর এলাকায় একাধিক সেচ মেশিন ও গরু চুরির ঘটনায় কৃষকরা দীর্ঘদিন আতঙ্কে ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা রতন মিয়া জানান, যৌথবাহিনীর টহল শুরু হওয়ার পর থেকে তারা নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন। একই কথা জানান নিকলী পর্যটন সড়কের ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, আগের তুলনায় দোকানপাটে চুরি কমেছে এবং ক্রেতাদের চলাচল বেড়েছে।
বাজিতপুর থানার ওসি এস এম শহিদুল্লাহ জানান, শীত মৌসুমে চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে যৌথবাহিনীর সাথে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
নিকলীতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্যাম্প সূত্র জানায়, ৭ জানুয়ারি থেকে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।



