ময়মনসিংহ অফিস
ময়মনসিংহের ত্রিশালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় বালুমহালের ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ২টার দিকে উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীরবাজারের কুলুরবাড়ি এলাকায় বালু বিক্রির একটি পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।
প্রায় তিন মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আনসার ও র্যাব সদস্যরা বালু বিক্রির ওই পয়েন্টে যান। সেখানে ইউএনও কাগজপত্র দেখতে চান। এ সময় ইজারাদার প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক সারোয়ার জাহান ওরফে বাচ্চু অভিযানে আসা কর্মকর্তাদের পরিচয় জানতে চান।
ফুটেজে দেখা যায়, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ইউএনও সারোয়ার জাহানকে পরপর দু’টি থাপ্পড় দেন। পরে র্যাবের এক সদস্য তাকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে ইউএনও ওই সদস্যের কাছ থেকে একটি লাঠি নেন। এরপর ওই লাঠি দিয়ে সারোয়ারকে কয়েকবার আঘাত করেন।
এ সময় পাশে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: মাহবুবুর রহমান ইউএনওকে থামানোর চেষ্টা করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সারোয়ার জাহানকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।
ইজারাদারপরে অভিযোগ, অভিযানের সময় সারোয়ার জাহান কর্মকর্তাদের পরিচয় জানতে চেয়েছিলেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে তাকে র্যাবের গাড়িতে করে ত্রিশালের ধলা এলাকায় নেয়া হয়। সেখানে ছেড়ে দেয়ার পর স্বজন ও ইজারাদারপরে লোকজন তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ মমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকীর বক্তব্য তাৎণিকভাবে পাওয়া যায়নি। সারোয়ার জাহানের শারীরিক অবস্থার বিষয়েও তাৎণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।


