বাস ক্রয়ে ইউজিসির নিষেধাজ্ঞা, ভোগান্তিতে জাককানইবি শিক্ষার্থীরা

Printed Edition

মোমিন ইসলাম জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) পরিবহন সুবিধার জন্য বছরে প্রায় দুই কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয় হলেও কমছে না শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ। ভাড়ায় চালিত বাসগুলোর অনিয়মিত রুট, জরাজীর্ণ আসন, ছারপোকার উপদ্রব ও দুর্বল ব্রেকিং ব্যবস্থার কারণে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সঙ্কট নিরসনে ক্যাম্পাস-মহাখালী রুট চালু এবং সময়সূচি পুনর্বিন্যাসসহ তিন দফা দাবিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে নিজস্ব ৯টি এবং ভাড়ায় চালিত আটটি বাস রয়েছে, যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু সম্প্রতি ময়মনসিংহগামী একটি ভাড়ায় চালিত বাসের ব্রেক ফেল করার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পান। শিক্ষার্থীরা জানান, ফিটনেসবিহীন এসব বাসের কারণে প্রায়ই ক্লাস ও পরীক্ষায় পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে। পাশাপাশি চাকরিপ্রার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীদের সুবিধার জন্য ঢাকামুখী বাসের রুট সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

পরিবহন পুলের সহকারী প্রকৌশলী মো: আল-আমিন জানান, ভাড়া করা বাসের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব মালিকপক্ষের। পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আহমেদ শাকিল হাসমী বলেন, সরকারিভাবে নতুন বাস কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবং নির্ধারিত ভাড়ায় ভালো বাস না পাওয়ায় নতুন টেন্ডারে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। উপাচার্য ড. মোশাররফ হোসেন জানান, গত দুই বছর ধরে নতুন গাড়ি কেনার সরকারি অনুমতি না থাকায় এই সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ করতে পরিবহন প্রশাসনের সাথে দ্রুত আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।