উপস্থাপনার সুযোগ পেলেন লাবণ্য

Printed Edition
উপস্থাপনার সুযোগ পেলেন লাবণ্য
উপস্থাপনার সুযোগ পেলেন লাবণ্য

বিনোদন প্রতিবেদক

বাংলাদেশের গানের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী বশির আহমেদ। মহান এই শিল্পীর জন্ম ১৯৩৯ সালের ১৮ নভেম্বর (গুগলে দেয়া আছে ১৯ নভেম্বর- যা ভুল বলেই জানালেন তার মেয়ে হোমায়রা বশির)। কিংবদন্তি এই সঙ্গীতশিল্পী ২০১৪ সালের ১৯ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। কলকাতায় জন্ম নেয়া বশির আহমেদ ১৯৬৪ সালে সপরিবারে ঢাকায় আসেন। ঢাকায় আসার আগেই উর্দু চলচ্চিত্রে গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। চলচ্চিত্রে ‘যব তোম একেলে হোগে হাম ইয়াদ আয়েঙ্গে’ গানটি পাকিস্তানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তার কণ্ঠস্বর ছিল মাধুর্যে ভরা। রাগ সঙ্গীতেও দখল ছিল তার। ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলী খানের কাছে তালিম নেন তিনি। ‘তালাশ’ চলচ্চিত্রে বিখ্যাত শিল্পী তালাত মাহমুদের সাথে কাজ করেন। বশির আহমেদের কণ্ঠে জনপ্রিয় বাংলা গানগুলো হচ্ছে আমি রিকশাওয়ালা মাতওয়ালা, আমাকে পুরাতে যদি এত লাগে ভালো, আমার খাতার প্রতি পাতায়, যারে যাবি যদি যা, পিঞ্জুর খুলে দিয়েছি, অনেক সাধের ময়না আমার, ডেকোনা আমারে তুমি কাছে ডেকো না, মানুষের গান আমি শুনিয়ে যাবো, খুঁজে খুঁজে জনম গেলো কাঁদল শুধু এই আঁখিসহ আরো বেশ কিছু গান। চিত্রনায়িকা মৌসুমী পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’তে গানের (গান-এই বৈশাখী লেখা প্রেমের চিঠি, কথা : গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সুর সঙ্গীত : ইমন সাহা) জন্য ২০০৩ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (শ্রেষ্ঠ গায়ক) পান। ২০০৫ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। তার যোগ্য উত্তরসূরি হোমায়রা বশির ও রাজা বশির। বশির আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে বিটিভিতে গত ১৮ নভেম্বর রাত ৮.৪৫ মিনিটে প্রচার হয় বশির আহমেদকে নিয়ে বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘অনেক সাধের ময়না’ অনুষ্ঠানটি। বিটির্ভির প্রযোজনায় নির্মিত এই আয়োজনে গান গেয়েছেন হোমায়রা বশির, রাজা বশির, স্বীকৃতি, রাশেদ, অপু আমানসহ আরো বেশ কয়েকজন শিল্পী। ভিন্ন ঘরানার শ্রদ্ধা নিবেদনের এই আয়োজনটি উপস্থাপনা করার সুযোগ পেয়েছেন এই প্রজন্মের শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী, নৃত্যশিল্পী ও উপস্থাপিকা ইয়াসমিন লাবণ্য। বিটিভিতে এমন বর্ণাঢ্য কোনো আয়োজনের এবারই প্রথম উপস্থাপনা করার সুযোগ পেলেন লাবণ্য।

াবণ্য বলেন, শ্রদ্ধেয় বশির আহমেদ স্যার আমাদের সঙ্গীতাঙ্গনের এমন একজন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী যিনি গানে গানে এদেশের সঙ্গীতপ্রেমী শ্রোতা দর্শককে জীবদ্দশায় মুগ্ধ করে গিয়েছিলেন, এমন কী তার প্রয়াণের পরও তার গানের মাঝেই আমরা তাকে খুঁজে পাই। বিটিভি কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা আমাকে এই অনুষ্ঠান উপস্থাপনার সুযোগ করে দেবার জন্য। কারণ অনুষ্ঠানটি প্রচারের পর আমি ভীষণ সাড়া পেয়েছি উপস্থাপনার জন্য। অনুষ্ঠানে আগত প্রত্যেক শিল্পীই শ্রদ্ধেয় বশির আহমেদকে স্মরণ করে ভীষণ সুন্দরভাবে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন। এ ধরনের আয়োজন বিটিভিতে নিয়মিত হলে বিটিভির প্রতি দর্শকের আগ্রহ আরো বাড়বে।’