কূটনৈতিক প্রতিবেদক
ভারতের সাথে সম্পর্কে টানাপড়েন, পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা, বাণিজ্য বৈষম্য কমাতে বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত বাড়তি শুল্ক কমানোর জন্য জোরালো দরকষাকষি, ইউরোপী ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা ধরে রাখতে জোটভুক্ত বিভিন্ন দেশকে বাংলাদেশের সমুদ্র ও নদী বন্দর দীর্ঘমেয়াদে ইজারা এবং সমরাস্ত্র ক্রয়ের জন্য সমঝোতা, তুরস্কের সাথে সামরিক সহযোগিতা জোরদার, ‘এক চীন’ নীতির প্রতি বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বিশেষ করে রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরালো করার দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টা গেল বছর বাংলাদেশের কূটনীতি, অর্থনৈতিক কূটনীতি ও ভূরাজনীতির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে। সার্বিকভাবে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছে, যা ক্ষেত্রবিশেষে বেশ জটিল ছিল।
গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সংখ্যালঘু ইস্যুকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারত যে প্রোপাগান্ডা যুদ্ধ শুরু করেছিল, ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। আর এ কারণে নানা ধরনের প্রচেষ্টার পরও ভারতের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে সম্ভব হয়নি। ভারতের সামরিক-বেসামরিক কর্তাব্যক্তিরা প্রকাশ্যেই বলেছেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে তারা দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে যাওয়ার মতো সম্পর্ক রাখবে। এর চেয়ে বেশি কিছু নয়। তবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, ভারত তার সাথে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন মহল থেকে অবশ্য প্রশ্ন তোলা হয়েছে, শেখ হাসিনার টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার সময় একতরফা, রাতের ভোট এবং আমি-ডামির নির্বাচনের ব্যাপারে ভারতের এই অবস্থান কোথায় ছিল। তখন ভারতের কাছে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা শোনা যায়নি। বরং এসব বিতর্কিত নির্বাচনের আগে-পরে ভারতের স্থানীয় গণমাধ্যম প্রশ্ন করলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার বলে এড়িয়ে গিয়েছিল।
গণ-অভ্যুত্থান দমনে দেশজুড়ে চালানো হত্যাযজ্ঞ ও চরম নৃশংসতার জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ১৭ নভেম্বর পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। এই রায় কার্যকর করতে প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারতে আশ্রয় নেয়া শেখ হাসিনাকে ফেরত চায় বাংলাদেশ। কিন্তু ভারত কোনো সাড়া দেয়নি। এর আগে ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে একই বছর ডিসেম্বরে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে কূটনৈতিক পত্র পাঠিয়েছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই চিঠিরও কোনো জবাব দেয়নি ভারত। বরং ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার আগে-পরে শেখ হাসিনা ভারতসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছে। একজন পলাতক আসামিকে গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেয়ার সুযোগ এবং ইন্টারনেটভিত্তিক ফোনে নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার তৎপরতা থেকে শেখ হাসিনাকে বিরত রাখতে অন্তর্বর্তী সরকার বারবার ভারত সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু তাতে খুব একটা ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়নি। ৬ ডিসেম্বর এনডিটিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে থাকা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। যে পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা ভারতে এসেছেন, সেটিই এখন তার ভবিষ্যৎ অবস্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে মুখ্য বিষয়।
১২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্ঠজনদের হাতে গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাব চরমে উঠে। এর দুই দিন পর ১৪ ডিসেম্বর ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার উসকানি দিয়ে পলাতক শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ অব্যাহত রাখায় ভারতের কাছে গুরুতর উদ্বেগ জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় একই সাথে বাংলাদেশী রাজনৈতিক নেতা শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার চেষ্টায় জড়িত সন্দেহভাজনদের ভারতে পালানো রোধ করতে এবং যদি তারা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়, তাহলে তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ নিশ্চিত করার জন্য সহযোগিতা চায়।
তবে একই দিন ভারতে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগ সদস্যরা বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারকে ডেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে অভিযোগ করেছে, তা প্রত্যাখ্যান করেছে দিল্লি। ১৭ ডিসেম্বর দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত।
এরই মধ্যে ময়মনসিংহের ভালুকায় দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে পোড়ানোর ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় ভারতের হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়। এ সময় দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন, কলকাতায় উপ-হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ হয় এবং শিলিগুড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশ ভিসা সেন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়। পরিস্থিতির কারণে দিল্লি, কলকাতা ও আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে কনস্যুলার সেবা ও ভিসা প্রদান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া অন্তর্বর্তী সরকার।
দীর্ঘ রোগভোগের পর ৩০ ডিসেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মারা গেলে ভারতের সাথে সম্পর্ক সাময়িকভাবে ইতিবাচক ধারায় অগ্রসর হয়। খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকা এসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শোকবার্তা পৌঁছে দেন এস জয়শঙ্কর। এ সময় সংসদ ভবনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের সাথে জয়শঙ্করের কথা হয়, যা ছিল নিতান্তই সৌজন্যমূলক। পরদিন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে এসে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে খোলা শোক বইতে মন্তব্যসহ স্বাক্ষর করেন। তবে এসব কর্মকাণ্ডে যতটা না অন্তর্বর্তী সরকার, তার চেয়ে বেশি বিএনপির প্রতি ভারতের ইতিবাচক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কেবল ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি দ্বিপক্ষীয় সফরে ঢাকা এসেছিলেন।
গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনামলের অবসান হলে পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটে। পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার গত বছরের ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট ঢাকা সফর করেন। প্রায় ১৩ বছর পর পাকিস্তানের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটি ছিল প্রথম ঢাকা সফর। সফরকালে তিনি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিনের সাথে বৈঠক করেন। কাছাকাছি সময়ে আসেন পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান। তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিভিন্ন বণিক সমিতির সাথে মতবিনিময় করে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে আলাপ করেন। পাকিস্তানের সাথে সরাসরি জাহাজ চলাচলের পর বিমান চলাচলও শুরু হতে যাচ্ছে। পাকিস্তানের ফ্লাই জিন্নাহ ও এয়ার শেয়াল এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে দুই দেশের মধ্যে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে ভারতের আকাশসীমায় পাকিস্তানের উড়োজাহাজ চলাচলের নিষেধাজ্ঞা থাকায় এখন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দিয়েই সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় দুবাই ট্রানজিট হয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে চলাচল করতে হয়। গেল বছর দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যেও উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময় হয়েছে।
২০২৫ সালে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন রাজা নকভি, পেট্রেলিয়ামমন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক এবং পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ বাংলাদেশ সফর করেছেন। আমনা বালুচের সফরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিবের সাথে দুই দেশের সার্বিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলাপ হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী তৌহিদ হোসেনের মতে, আওয়ামী সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক খারাপ করে রেখেছিল। অন্তর্বর্তী সরকার তা স্বাভাবিক করা চেষ্টা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের ২ এপ্রিল বাংলাদেশসহ ৫৭ দেশের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে আমদানি পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এ সময় বাংলাদেশের পণ্যের ওপর বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাকের একক বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র। আগে থেকে এই পণ্যের ওপর ১৬ শতাংশ শুল্ক ছিল। বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণায় তৈরি পোশাক শিল্পে আশঙ্কা দেখা দেয়। পরবর্তী সময়ে দফায় দফায় বৈঠক, সরকারি-বেসরকারি খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং অঙ্গীকার ও সমঝোতার মাধ্যমে বাংলাদেশের পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশে নামিয়ে আনতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিযোগী দেশগুলোর ওপর কাছাকাছি শুল্ক আরোপ করায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাকের রফতানির ধারা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। তবে এ জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং এয়ারক্রাফট, গম ও সয়াবিন তেল আমদানির মাধ্যমে বাণিজ্যঘাটতি কমিয়ে আনার অঙ্গীকার এবং তা বাস্তবায়ন শুরু করতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পড়ে ফ্রান্স থেকে এয়ারবাস কেনার অঙ্গীকার থেকে সরে আসায় ইইউ বাংলাদেশের ওপর পাল্টা চাপ সৃষ্টি করে। তৈরি পোশাকের জন্য ইইউ বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাজার। এই বাজারে রফতানিতে বাংলাদেশ শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধাও পেয়ে থাকে। বিষয়টিতে একটি ভারসাম্য আনতে চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ এবং ৩০ বছরের জন্য পরিচালনার জন্য ডেনমার্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, ঢাকার অদূরে পানগাঁও নৌ টার্মিনাল ২২ বছর মেয়াদে পরিচালনার জন্য সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ইতালিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি সই করে বাংলাদেশ। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে নৌ-প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, যার আওতায় নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড এবং নৌ পুলিশকে আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, প্রশিক্ষণ এবং বিশেষ করে ডাচ কোম্পানির মাধ্যমে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ ও সরবরাহের পথ সুগম হবে।



