আজীবন ভোগস্বত্ব রেখে সম্পত্তি হস্তান্তরের বিল পাস

শরিয়াহ প্রশ্নে বিরোধীদের ওয়াকআউট

Printed Edition

সংসদ প্রতিবেদক

দাতার জীবনকাল পর্যন্ত সম্পত্তির ভোগস্বত্ব সংরক্ষণ করে সন্তান, নাতি-নাতনী কিংবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তরের সুযোগ রেখে ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত বিধান মুসলিম উত্তরাধিকার ও হেবা ব্যবস্থার সাথে সাংঘর্ষিক কি না, তা নিয়ে বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। বিলটি পাসের আগে শরিয়াহ বিশেষজ্ঞ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও আলেমদের মতামত নেয়ার দাবি জানালেও তা গ্রহণ না হওয়ায় বিরোধীদলীয় নেতা ডা: মো: শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ থেকে সাময়িক ওয়াকআউট করেন।

এর আগে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি সংশোধিত আকারে বিলটি পাসের সুপারিশ করে সংসদে রিপোর্ট উপস্থাপন করে। কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ নওশাদ জমির ৩০ আগস্টের বৈঠকে বিলটি পরীক্ষা শেষে রিপোর্ট উপস্থাপন করেন। এতে কমিটির বিরোধীদলীয় সদস্যরা বিলটির বিষয়ে ইসলামিক স্কলার ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতামত নেয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তবে কমিটি শেষ পর্যন্ত সংশোধিত আকারে বিলটি পাসের সুপারিশ করে।

নতুন পদ্ধতিতে সম্পত্তি হস্তান্তর

বিলের প্রস্তাবিত ১২২এ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো দাতা নিজের জীবনকাল পর্যন্ত সম্পত্তির ভোগস্বত্ব নিজের কাছে রেখে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দান করলে তা বৈধ হবে। এভাবে বাবা-মা বা দাদা-দাদী, নানা-নানী থেকে সন্তান বা নাতি-নাতনীর মধ্যে এবং উল্টো দিকেও সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে। একইভাবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও এ ধরনের হস্তান্তরের সুযোগ থাকবে।

স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে হবে। দাতার জীবদ্দশায় গ্রহীতার মৃত্যু হলে সম্পত্তি প্রচলিত আইন অনুযায়ী গ্রহীতার উত্তরাধিকারীদের কাছে যাবে। তবে দাতার জীবনকাল পর্যন্ত সম্পত্তির ভোগস্বত্ব বহাল থাকবে।

বিলে বলা হয়েছে, এ পদ্ধতিতে সম্পত্তি হস্তান্তর একটি স্বতন্ত্র পদ্ধতি হিসেবে গণ্য হবে। প্রচলিত গিফট, মুসলিম আইনের হেবা বা অন্য কোনো স্বীকৃত হস্তান্তর পদ্ধতির বৈধতার ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না।

নিবন্ধনের পর সাধারণত বাতিল নয়

প্রস্তাবিত ১২২বি ধারায় বলা হয়েছে, নিবন্ধনের পর এ ধরনের দান সাধারণভাবে অপরিবর্তনীয় থাকবে। তবে দাতা ও গ্রহীতার পারস্পরিক সম্মতিতে নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে আর্থিক, চিকিৎসা, শিক্ষা, পারিবারিক বা অন্য কোনো প্রকৃত প্রয়োজনের কারণে তা পরিবর্তন বা বাতিল করা যাবে।

কোনো পক্ষ নাবালক, নিখোঁজ, মানসিকভাবে অসুস্থ, আইনগতভাবে অক্ষম অথবা অন্য কোনো যথেষ্ট কারণে সম্মতি দিতে না পারলে জেলা জজ প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্টদের নোটিশ দিয়ে এ বিষয়ে আদেশ দিতে পারবেন।

কমিটির কয়েকটি সংশোধনী

স্থায়ী কমিটি বিলটিতে কয়েকটি সংশোধনের সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে ‘রাইট অব ইউসুফ্রাক্ট’-এর পরিবর্তে ‘দ্য রাইট অব লাইফটাইম এনজয়মেন্ট (লাইফটাইম ইউসুফ্রাক্ট রাইটস)’ শব্দ ব্যবহারের সুপারিশ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোতেও ‘লাইফটাইম’ শব্দ সংযোজন এবং উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে ‘লাইফটাইম ইউসুফ্রাক্ট রাইটস’ ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়েছে।

শরিয়াহর সাথে সাংঘর্ষিক কি না যাচাই দরকার

বিরোধীদলীয় নেতা ডা: মো: শফিকুর রহমান বলেন, বিলটির উদ্দেশ্য মানবিক এবং পিতা-মাতার সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ- এতে আপত্তি নেই। তবে প্রস্তাবিত বিধান কুরআন-সুন্নাহর উত্তরাধিকার, হেবা ও ওসিয়তের নীতির সাথে সাংঘর্ষিক কি না, তা গভীরভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। বিশেষ করে সূরা নিসার ১১ থেকে ১৪ নম্বর আয়াতে বর্ণিত উত্তরাধিকার বিধানের সাথে আইনের প্রয়োগে বিরোধ তৈরি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তার মতে, হেবা কার্যকর হওয়ার ক্ষেত্রে মালিকানা ও ভোগদখল গুরুত্বপূর্ণ। অন্য দিকে ওসিয়ত মৃত্যুর পর কার্যকর হয় এবং এরও নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে।

ডা: শফিকুর রহমান বিলটি দ্রুত পাস না করে শরিয়াহ আইন বিশেষজ্ঞ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও সংশ্লিষ্ট আলেমদের কাছে পাঠিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা ও সুপারিশ নেয়ার আহ্বান জানান। যথাযথ যাচাই ছাড়া আইনটি কার্যকর হলে সামাজিক বিভ্রান্তি এবং প্রকৃত হকদারদের অধিকার ক্ষুণœ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কুরআন-সুন্নাহবিরোধী

বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নজিবুর রহমান (মোমেন) অভিযোগ করেন, প্রস্তাবিত আইনটি কুরআন-সুন্নাহবিরোধী। পিতা-মাতার সম্পত্তি রক্ষার মানবিক উদ্দেশ্য থাকলেও এর মাধ্যমে ইসলামী উত্তরাধিকার ও হেবা ব্যবস্থাকে পাশ কাটানোর সুযোগ সৃষ্টি করা যাবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মুসলিম পার্সোনাল ল শরিয়ত অ্যাপ্লিকেশন আইনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুসলমানদের উত্তরাধিকার, উপহার, বিবাহ ও তালাকসহ পারিবারিক বিষয় শরিয়াহ অনুযায়ী পরিচালিত হওয়ার কথা। পিতা-মাতার অধিকার রক্ষায় ২০১৩ সালের পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তার বক্তব্য, একটি সামাজিক সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে ইসলামী পারিবারিক আইনকে পাশ কাটানো উচিত নয়। বিলের পক্ষে ভোট দেয়া সদস্যদেরও এ বিষয়ে দায় নিতে হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।

আইনমন্ত্রীর ব্যাখ্যা

বিরোধীদের আপত্তির জবাবে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান বলেন, বিলের ১২২এ ধারার ৪ উপধারাতেই এ প্রশ্নের উত্তর রয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তর কোনোভাবেই প্রচলিত হেবা, গিফট বা অন্য কোনো আইনসম্মত হস্তান্তর পদ্ধতিকে সীমিত বা বাতিল করবে না।

তিনি বলেন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে বিক্রয়, মর্টগেজ, লিজ, এক্সচেঞ্জ, গিফটসহ বিভিন্ন ধরনের হস্তান্তর রয়েছে। নতুন বিধানের মাধ্যমে পিতা-মাতা সন্তানকে সম্পত্তি হস্তান্তর করলেও জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তির ভোগদখল রাখার সুযোগ পাবেন।

বিভিন্ন বিচারিক সিদ্ধান্ত ও মুসলিম আইনবিষয়ক গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, সম্পত্তির মূল মালিকানা হস্তান্তরের পর দাতার ভোগাধিকার সংরক্ষণ করা হলে তাতেই হেবা বা গিফট অবৈধ হয়ে যায় না।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রস্তাবিত বিধান মুসলিম হেবা আইনকে স্পর্শ করছে না। মুসলমান চাইলে প্রচলিত শরিয়াহ অনুযায়ী হেবা করতে পারবেন। একই সাথে নতুন আইনটি সব বাংলাদেশীর জন্য সাধারণ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন হিসেবে প্রযোজ্য হবে। পিতা-মাতার জীবদ্দশায় তাদের নিরাপত্তা ও ভোগদখল নিশ্চিত করাই বিলের মূল উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি। তার দাবি, ইসলামী আইন ও বিদ্যমান আইনের সাথে সাংঘর্ষিক না করেই নতুন বিধান আনা হয়েছে।

হেবা নিয়ে দ্বৈততা ভবিষ্যতে বিরোধ তৈরি করবে

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো: রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, বয়স্ক পিতা-মাতার নিরাপত্তা এবং পারিবারিক সম্পত্তি বিরোধ কমানো প্রয়োজন। তবে এর সমাধান করতে গিয়ে ইসলামের স্বীকৃত হেবা ও উত্তরাধিকার ব্যবস্থার সাথে সাংঘর্ষিক কোনো কাঠামো গ্রহণযোগ্য নয়।

তার প্রধান প্রশ্ন- শুধু রেজিস্ট্রেশন করলেই হেবা সম্পূর্ণ হবে কি না, নাকি বাস্তব দখল ও নিয়ন্ত্রণও হস্তান্তর করতে হবে। প্রস্তাবিত আইনে দাতা আজীবন সম্পত্তি ভোগের অধিকার রাখলে মালিকানা ও বাস্তব নিয়ন্ত্রণের মধ্যে যে দ্বৈততা তৈরি হবে, তা ভবিষ্যতে বিরোধ সৃষ্টি করতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেন। বিলটি জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর দাবি জানান তিনি।

জামায়াতের সংসদ সদস্য মো: শফিকুল ইসলাম মাসুদও বিষয়টি সতর্কতার সাথে যাচাইয়ের দাবি জানান। তিনি বলেন, পিতা-মাতার প্রতি নির্যাতন ও অবহেলা অমানবিক হলেও আইনটি কুরআন-সুন্নাহর বিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা যাচাই করা জরুরি। এ জন্য ওলামায়ে কেরাম ও ফতোয়া বোর্ডের মতামত নেয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

দান বাতিলের ক্ষমতা চান রুমিন

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিলটির মানবিক উদ্দেশ্যকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সন্তানরা অনেক সময় পিতা-মাতার কাছ থেকে সম্পত্তি লিখে নিয়ে পরে তাদের অবহেলা করে এবং বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেয়। বিলটিকে আরো কার্যকর করতে তিনি পিতা-মাতার ভরণপোষণ না করলে দাতার একতরফাভাবে দান বাতিলের সুযোগ, পিতা-মাতার লিখিত সম্মতি ছাড়া সম্পত্তি বন্ধক বা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর নিষিদ্ধ করা এবং দ্রুত বিচারব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দেন। পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে ৬০ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রতিকার নিশ্চিত করার প্রস্তাবও দেন তিনি।

জনমত যাচাইয়ের দাবি

জামায়াতের সংসদ সদস্য আব্দুল আলিম বলেন, বিদ্যমান আইনেও একজন ব্যক্তি তার সম্পত্তি অন্যকে দান করতে পারেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সন্তানরা পিতা-মাতাকে আবেগগতভাবে চাপ দিয়ে সম্পত্তি লিখে নেয়া এবং পরে তাদের বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর ঘটনা ঠেকানো দরকার।

সংসদ সদস্য আল ফারুক আব্দুল লতিফ বলেন, ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনসহ মুসলিম পারিবারিক আইন ও শরিয়াহর ঐতিহ্যের বিষয় বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন। মানবাধিকার বা পিতা-মাতার সুরক্ষার কথা বলে এমন কোনো ব্যবস্থা করা উচিত নয়, যাতে মুসলিম পারিবারিক আইনের মৌলিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পাবনা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আজগার ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও শরিয়াহ বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে বিলটি পরীক্ষা এবং ২০ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেন।

জামায়াতের আরেক সংসদ সদস্য মো: জহিরুল ইসলাম বলেন, বিলটি যেহেতু মিরাস, হেবা, উইল ও ওসিয়তের মতো ইসলামী আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত, তাই ফিকহ ও শরিয়াহ বিশেষজ্ঞদের দিয়ে বিস্তারিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ বলেন, পিতা-মাতার ওপর নির্যাতন বা প্রতারণা করা সন্তানদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন ব্যবহার করা যেতে পারে। কয়েকজন অপরাধী সন্তানের কারণে দেশের মৌলিক পারিবারিক ও ধর্মীয় আইনের সাথে সাংঘর্ষিক নতুন আইন করা উচিত নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ওয়াকআউট শেষে ফের আপত্তি

ওয়াকআউট শেষে সংসদে ফিরে মোহাম্মদ নজিবুর রহমান মন্ত্রী বিভিন্ন দেশের আইন ও ইসলামী আইন সম্পর্কে যেসব ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তার কিছু অংশকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেন। বিশেষ করে হেবা, আজীবন ভোগাধিকার এবং সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্দান, মিসর ও মালয়েশিয়ার উদাহরণ নিয়ে আপত্তি জানান তিনি।

১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের সমালোচনা করে এটিকে ‘কালো আইন’ আখ্যা দেন নজিবুর রহমান। ১৯৩৭ সালের মুসলিম পার্সোনাল ল’ শরিয়ত অ্যাপ্লিকেশন আইনের আওতায় মুসলমানদের দানের ক্ষেত্রেও শরিয়াহর মানদণ্ড প্রযোজ্য- এমন দাবি করে তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইন সে সীমার বাইরে দানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৩৭ সালের মুসলিম পার্সোনাল ল শরিয়ত অ্যাপ্লিকেশন আইনকে প্রস্তাবিত আইনে আলাদাভাবে যুক্ত করার প্রয়োজন নেই। মুসলমানদের হেবার ক্ষেত্রে বিদ্যমান শরিয়াহ আইন বহাল থাকবে এবং সাধারণ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সবার জন্য প্রযোজ্য হবে।

তিনি বলেন, বিলের ১২২এ-এর উপধারা (১) ও (৪) একসাথে পড়লে দেখা যাবে, ১৯৩৭ সালের আইনসহ বিদ্যমান মুসলিম আইন সুরক্ষিত রয়েছে। ফলে এ বিষয়ে আলাদা সংশোধনীর প্রয়োজন নেই।