কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন মানব মুক্তির কণ্ঠস্বর। একদিকে অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে বজ্রকঠিন অন্যদিকে মানবিক মূল্যবোধে জারিত একজন প্রেমসিক্ত কবিপুরুষ। তাইতো শুধু ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামে ঝলছে উঠেছিলেন তিনি। সেই আলোয় আলোকিত হয়ে উঠেছিল পাকিস্তানের আজাদী আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণ-আন্দোলন এবং চব্বিশের ছত্রিশ জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের মতো নতুন বিপ্লবের বিজয়ধ্বনি। তিনি আক্ষরিক অর্থে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও মানবতার কল্যাণের সবসময়ব প্রাসঙ্গিক। যতোদিন বৈষম্য থাকবে ততোদিন তিনি প্রাসঙ্গিক হয়ে থাকবেন। গতকাল রোববার কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘শব্দকলা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়’ আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কাজী নজরুল ইসলাম’ শীর্ষক আলোচনা ও কবিতাপাঠ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ অ্যাকাডেমিক ভবনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন শব্দকলা সম্পাদক কবি ও গবেষক প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ।
প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি অ্যাডিশনাল ডাইরেক্টর প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিন প্রধান। প্রধান আলোচক ছিলেন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. তাহমিনা বেগম।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন- কবি ও গবেষক ড. ফজলুল হক তুহিন, কবি আবদুর রাজ্জাক রিপন, কবি সোহেল করিম দীপু, কবি সেলিম আল সাঈদ, শিশু সাহিত্যিক সুফিয়া ডেইজি প্রমুখ।
কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গানে অনুষ্ঠানটি মুখরিত করেন শিল্পী শামসুল ইসলাম, জাকারিয়া জয়াস, ইমরান হাসান, ইবরাহিম প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি।



