এস এম আলাউদ্দিন পাবনা
এশিয়া মহাদেশের মধ্যে মানসিক চিকিৎসা সেবার একমাত্র বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ‘পাবনা মানসিক হাসপাতাল’। প্রাচীন অবকাঠামো, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব, তীব্র জনবল সঙ্কট, স্বল্প ও মানহীন খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহে বিস্তর সমস্যায় জর্জরিত হাসপাতালটি। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আধুনিকতার ছোঁয়া পড়লেও অসুস্থ হয়ে পড়ে আছে খোদ এই হাসপাতাল। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন শিগগিরই পাবনা মানসিক হাসপাতালে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগবে এবং ১২ শ’ শয্যার আধুনিক প্রযুক্তিতে ভরে উঠবে।
জানা গেছে, ১৯৫৭ সালে পাবনা শহরের শীতলাই জমিদার বাড়িতে মানসিক রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালটির যাত্রা শুরু। তৎকালীন পাবনার সিভিল সার্জন হাসপাতালটি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১৯৫৯ সালে পাবনা শহরের হেমায়েতপুরে এটি স্থানান্তরিত হয়। ১৯৯৬ সালে শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয় ৫০০-তে। সে সময়ে ১১১ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের প্রথম দিকে ৫৩টি ভবন থাকলেও কালপরিক্রমায় সেটি এক-তৃতীয়াংশে এসে দাঁড়িয়েছে। ভবনগুলোর অধিকাংশ পরিত্যক্ত আর ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। হাসপাতালে ১ম শ্রেণীর চিকিৎসক ৩৮ জনের মধ্যে রয়েছে ২৫ জন, ২য় শ্রেণীর ৩১৬ জনের মধ্যে রয়েছে ৩০৯ জন, ৩য় শ্রেণীর ১১৯ জনের মধ্যে রয়েছে ৭২ জন এবং ৪র্থ শ্রেণীর ১৮০ জনের মধ্যে রয়েছে ৬০ জন।



