দোহারে বিএনপির সমাবেশে হট্টগোল সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা

Printed Edition

দোহার (ঢাকা) সংবাদদাতা

ঢাকার দোহার উপজেলায় বিএনপির প্রতিনিধি সভা চলাকালীন হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিক ও নয়া দিগন্ত পত্রিকার দোহার সংবাদদাতা শওকত আলী রতন ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদল ও যুবলের কর্মীরা তার কাছ থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করে। চাপের মুখে ভিডিও ফুটেজ ডিলেট করতে বাধ্য করানো হয়।

শনিবার জয়পাড়া পাইলট স্কুল মাঠে দোহার উপজেলা বিএনপি প্রতিনিধি সভার আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় এমপি খন্দকার আবু আশফাক। সভা চলাকালীন বেলা ৩টার দিকে উপজেলার নারিশা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শাহীন মাঝি বক্তব্য বলেন, আমরা যুবদলের অধীনে কোন রাজনীতি করব না। আমাদের যুবদলের কমান্ড মেনে রাজনীতি করতে হয়। প্রয়োজনে রাজনীতি ছেড়ে দেবো- এমন বক্তব্যে ক্ষিপ্ত হয়ে দোহার উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে মঞ্চের সামনে অবস্থান নেয়া অন্য যুবদলের নেতারা মঞ্চের দিকে তেড়ে যায় শাহীন মাঝিকে মারার জন্য। এ সময় স্থানীয় এমপি খন্দকার আবু আশফাক যুবদলের উদ্দেশে মাইকে ঘোষণা করেন, আর এক পা আগালে আজকেই যুবদলের কমিটি ভেঙে দেয়া হবে। অনুষ্ঠানের হট্টগোলের ও উত্তেজনার ভিডিও ধারণ করা হলে সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।

এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকসহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতা। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির দফতর সম্পাদক সাংবাদিক রাশিম মোল্লা জানান, সত্য উদঘাটনে সাংবাদিকরা মাঠে কাজ করে থাকে। জনসম্মুখে অনুষ্ঠান চলাকালীন হট্টগোলের ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ধারণকৃত ভিডিও মুছে ফেলা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি। আমরা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

ঢাকা জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো: আমিন উদ্দিন জানান, খুবই দুঃখজনক ও ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে সাংবাদিকের সাথে। এ ঘটনা মেনে নেয়া না। দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।