৭ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর লাশ উদ্ধারের গুজব

পুলিশ বলছে অপপ্রচার আইনিব্যবস্থা নেয়া হয়নি

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

তুরাগ নদে ভাসছে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ ‘শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে’ বলে জানিয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স। গতকাল শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি বাংলাদেশ পুলিশ অনুরোধ জানাচ্ছে।

একটি মহল এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। যারা এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে তৎপর রয়েছে। কেউ এ ধরনের অপপ্রচারে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনিব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন ও রক্তাক্ত লাশের ছবি সংবলিত বিকৃত ছবি দিয়ে সয়লাব করতে দেখা গেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীসহ অনেকে। অনেকের ফেসবুক আইডি শনাক্ত করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি পুলিশকে।

বাস্তবে মিলল এক দুর্ঘটনার তথ্য

গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি জানান, ‘তুরাগে লাশের সারি’, ‘মিছিলে হামলা’, ‘তরুণদের ধরে নিয়ে হত্যা’- এমন নানা দাবি ছড়িয়ে গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তবে মাঠপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে এসব দাবির পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য, নিহত বা নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা কিংবা ঘটনার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, গত ২২ জুন তুরাগ থানা এলাকায় আওয়ামী লীগের একটি মিছিলে হামলার পর কয়েকজন নিহত ও নিখোঁজ হয়েছেন। কোনো পোস্টে তিনটি লাশ উদ্ধারের দাবি করা হচ্ছে, আবার কোনো পোস্টে বলা হচ্ছে তুরাগ নদ থেকে অর্ধগলিত চারটি লাশ উদ্ধার হয়েছে এবং আরো কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।