সাভার (ঢাকা) সংবাদদাতা
নিখেঁাঁজের দুই মাস পর সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের আমিন মোহাম্মদ টাউনের ঝাউ বাগান থেকে গতকাল বিকেলে এক কিশোরের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম মিলন হোসেন (১৫)। সে সাভারের আশুলিয়ার পাড়াগাঁও এলাকায় পরিবারের সাথে ভাড়া থেকে অটোরিকশা চালাত। কিশোর মিলন হোসেনের মা জোসনা বেগমের দাবি উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল তার ছেলে মিলনের। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) মাহবুব উল্লাহ সরকার নয়া দিগন্তকে বলেন ডিএনএ টেস্ট করার পর আমরা নিশ্চিত হতে পারব উদ্ধার হওয়া কঙ্কাল কিশোর মিলন হোসেনের কি না। অপর দিকে স্বজনদের অভিযোগ মিলন হোসেন নিখেঁাঁজের পর থানায় অভিযোগ এবং পরবর্তীতে পুলিশের পরামর্শে মামলা করলেও বিভিন্ন অজুহাতে পুলিশ আসামি গ্রেফতার করে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
নিহতের স্বজন ও থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের আমিন মোহাম্মদ টাউনের ঝাউবাগানে সোমবার বিকেলে কিশোর মিলনের মা জোসনা বেগম ছেলের জিন্স প্যান্ট ও টি-শার্ট দেখে তার ছেলে মিলনের লাশ শনাক্ত করেন এবং ঝাউবাগান থেকে কঙ্কাল দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ কঙ্কাল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। মিলন হোসেনের বোন ফারজানা জানান তার ভাই গত ২৯ সেপ্টেম্বর অটোরিকশা চালানোর উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরবর্তীতে এ ঘটনায় থানায় মো: সুমন (২৫) পিতা মো: বাচ্চু মিয়া, থানা- সুনামগঞ্জ, জেলা- সিলেটকে অভিযুক্ত করে এবং অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে তার মা জোসনা বেগম একটি অভিযোগ নিয়ে পুলিশের কাছে গেলে পুলিশ বলে আমার ভাই মেয়ে নিয়ে গাইবান্ধা পালিয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন পরবর্তীতে পুলিশ একটি মোবাইলের কল রেকর্ডের সূত্র ধরে আমাদের থানায় মামলা করার পরামর্শ দিলে ১৮ নভেম্বর আশুলিয়া থানায় মো: সুমনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) মাহবুব উল্লাহ সরকার বলেন কঙ্কালটি ফরেনসিক তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে এবং পরে নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি কিশোর মিলনের লাশ কি না। স্বজনদের নানা অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন পরিবার অভিযোগ করতেই পারেন। তিনি আরো বলেন এ ঘটনায় মো: সুমনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।



