দেশে হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যপণ্যে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে পণ্যের মান প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। এরই ধারাবাহিকতায় ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্চা সেমাই, ডেকোরেটেড কেক, চিপস, চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করে বাংলাদেশ মান (ইউঝ) প্রণয়ন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইর প্রধান কার্যালয়ে বিএসটিআই ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এক অংশীজন পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএসটিআইর মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা: সোহেল রেজা চৌধুরী। রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো: আবদুল আলীম। অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল, মেঘনা গ্রুপসহ দেশের বিভিন্ন ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। সভায় ‘অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে এসডিজির তাগিদ এবং সরকারের অগ্রাধিকার’ বিষয়ে উপস্থাপনা করেন বিএসটিআইর উপপরিচালক (কৃষি ও খাদ্য) এনামুল হক। সভায় প্রধান অতিথি বলেন, সরকার ‘খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (ঞঋঅ) নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করেছে। প্রবিধানটির কার্যকর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিএসটিআই বনস্পতি ও নন-ডেইরি ভেজিটেবল ঘি-এর জন্য প্রণীত বাংলাদেশ জাতীয় মান সংশোধন করেছে। বিজ্ঞপ্তি।



