জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান

Printed Edition

রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ বিএসজিএসএফ মিলনায়তনে গতকাল আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে সিএলএনবির উদ্যোগে এক শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতির বক্তব্যে হারুনূর রশিদ বলেন, জাতিসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও অবদান আজ বিশ্ব স্বীকৃত। শান্তিরক্ষা মিশনের অপার সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৮৫ বিলিয়ন ডলার আয় করতে সক্ষম। এ জন্য প্রয়োজন সরকারের নীতি সহায়তা।

তিনি বলেন, জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সামরিক ও পুলিশ সদস্য পাঠানো দেশ বাংলাদেশ। বর্তমানে বিশ্বের ১২টি দেশে বাংলাদেশের প্রায় সাত হাজার সদস্য জাতিসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত রয়েছেন। এ পর্যন্ত বিশ্বের ৪৩টি দেশের ৬৩টি মিশনে দুই লক্ষাধিক বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করেছেন। এ খাতে ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিন বিলিয়নের বেশি ডলার আয় করেছে। উল্লেখ্য, অবসরপ্রাপ্ত শান্তিরক্ষা সেনাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরো প্রায় দুই কোটি লোকের বিদেশে স্থায়ী কর্মসংস্থানসহ বছরে প্রায় ৮০-৮৫ বিলিয়ন ডলার আয় করার সুযোগ রয়েছে।

আলোচনা শেষে শান্তিরক্ষা মিশনে শহীদ শান্তিসেনা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই বিপ্লবের শহীদদের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত করা হয় এবং আহতদের আরোগ্য কামনা করা হয়।

সমাবেশের আরো বক্তব্য রাখেন লে. কর্নেল (অব:) আবু ইউসুফ জুবায়ের উল্লাহ, সংযুক্ত গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান বাবলু, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম আসাদ, শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও ভোলা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বইয়ের লেখক কালাম ফয়েজী, সাবেক ছাত্রনেতা কবি শফিক সেলিম, সাবেক ছাত্রনেতা হাসান মঞ্জুর, জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের কেন্দ্রীয় নেতা তরিকুল ইসলাম মধু, সমাজসেবক আব্দুর রহিম চৌধুরী, সাবেক ছাত্রনেতা নূরুর রহমান জাহাঙ্গীর, রফিকুল ইসলাম হিরণ, দার্শনিক আবু মহি মুসা, স্বাস্থ্যসেবা কর্মী হাওয়া বেগম প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি।