আয়বৈষম্য হ্রাস, রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন

জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ পেশ

বর্ধিত এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করতে হলে খরচ পড়বে অতিরিক্ত এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় হচ্ছে এক লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।

বিশেষ সংবাদদাতা
Printed Edition
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন তুলে দিচ্ছেন কমিটির সদস্যরা : পিআইডি
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন তুলে দিচ্ছেন কমিটির সদস্যরা : পিআইডি

  • সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা, সর্Ÿোচ্চ ১,৬০০০০ টাকা প্রস্তাব
  • সর্Ÿনিম্ন বেতন বৃদ্ধি ১৪২.৪২% এবং সর্Ÿোচ্চ বাড়বে ১০৫.১২%

সরকারি চাকুরেদের সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন স্কেল ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করেছে নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদনে। এতে সর্বনিম্ন স্তরে বেতন বাড়বে ১৪২.৪২ শতাংশ এবং এবং সর্Ÿোচ্চ বেতন বাড়বে ১০৫. ১২ শতাংশ।

বর্ধিত এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করতে হলে খরচ পড়বে অতিরিক্ত এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় হচ্ছে এক লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।

নবম জাতীয় বেতন কমিশন নির্ধারিত সময়ের তিন সপ্তাহ আগেই গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে, তাদের প্রতিবেদন পেশ করেছে। ২৩ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করে।

এ সময় অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী, অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ কমিশনের সব পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা প্রতিবেদন গ্রহণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। এ সময় তিনি বলেন, ‘এটি একটি মস্ত বড় কাজ। মানুষ বহুদিন ধরে এর জন্য অপেক্ষা করছে। আউটলাইন দেখে বুঝলাম- এটি খুবই সৃজনশীল কাজ হয়েছে।’

এ সময় কমিশনপ্রধান জাকির আহমেদ খান বলেন, গত এক দশকে বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে অর্থনীতির প্রায় সব সূচকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সময়োপযোগী ও যথাযথ বেতন কাঠামো নির্ধারণ না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সুস্পষ্ট কার্যপরিধি নির্ধারণপূর্বক বিদ্যমান বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে কমিশন কাজ করে।

নির্ধারিত কার্যপরিধি অনুসরণ করে সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কমিশন বিভিন্ন অংশীজনের সাথে অনলাইন ও অফলাইনে ১৮৪টি সভা করে এবং ২৫৫২ জনের মতামত ও প্রস্তাব গ্রহণ করে। পাশাপাশি বিভিন্ন সমিতি ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা সভার আয়োজন করে ব্যাপক মতবিনিময় করা হয়।

কমিশনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আর্থিক সংস্থান নির্ধারণ এবং এর বাস্তবায়নযোগ্যতা পর্যালোচনা করা।

প্রতিবেদন দাখিলকালে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এই প্রস্তাব বাস্তবায়নই এখন পরবর্তী কাজ। এ লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করে দেয়া হবে, যে কমিটি বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে কাজ করবে। কমিশন সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০টি স্কেলে বেতন সুপারিশ করে ।

কমিশনের প্রতিবেদনে নতুন কিছু প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে- সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা প্রবর্তন, পেনশন ব্যবস্থার সংস্কার, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড পুনর্গঠন, সার্ভিস কমিশন গঠন, বেতন গ্রেড ও স্কেলের যৌক্তিক পুনর্বিন্যাস, সরকারি দফতরগুলোতে ভাতাসমূহ পর্যালোচনার জন্য কমিটি গঠন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে মানবসম্পদ উন্নয়ন।

প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে, কোনো কর্মচারীর প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে, বেতন কমিশন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মাসিক ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা ভাতা প্রদানের সুপারিশ করেছে, শর্ত থাকে যে, সব ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ দু’জন সন্তান এই সুবিধা পাবে।

এতে আরো বলা হয়েছে, টিফিন ভাতার বর্তমানে প্রচলিত বিধানাবলি অব্যাহত থাকবে, তবে কমিশন ভাতার হার বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বর্তমানে প্রচলিত মাসিক টিফিন ভাতা ২০০ টাকার স্থলে ১,০০০ (এক হাজার) টাকা করা যেতে পারে।

গত ২৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে সরকার ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়। ২০১৩ সালে অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের পর দীর্ঘ ১২ বছর এই কমিশন গঠিত হয়। কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত শেষ তারিখ ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

কমিশন তাদের জন্য নির্ধারিত বাজেটের মাত্র ১৮ শতাংশ ব্যয়ে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

জানা গেছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি পেনশনভোগীদের পেনশনের হারও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। মাসে ২০ হাজার টাকার কম পান, এমন পেনশনভোগীদের পেনশন বাড়ছে ১০০ শতাংশের মতো। যারা মাসে ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকার পেনশন পান, তাদের বাড়ছে ৭৫ শতাংশ। আর যারা মাসে ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশন পান, তাদের বাড়ছে ৫৫ শতাংশ।

চলতি সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিক বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে। এটি পুরো মাত্রায় কার্যকর হবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ আগামী ১ জুলাই থেকে।

নতুন বেতন কাঠামো শুধু একটি বেতন পুনর্নির্ধারণ নয়

জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো শুধু একটি বেতন পুনর্নির্ধারণ নয়; এটি মূলত রাষ্ট্রের আর্থিক দর্শন, প্রশাসনিক ন্যায়বিচার ও সামাজিক ভারসাম্যের একটি নীতিগত প্রতিফলন। কমিশন বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রেখে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৮ নির্ধারণের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে আয় বৈষম্য কমানোর কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা বাংলাদেশের বেতন কাঠামোর ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক।

১. অনুপাত সঙ্কোচন : ন্যায্যতা বনাম প্রণোদনার দ্বন্দ্ব

প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত দিক হলো সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত সর্বকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা।

১৯৭৩ সালে এই অনুপাত ছিল ১:১৫.৪; ২০১৫ সালে তা কমে আসে ১:৯.৪; ২০২৫ সালে প্রস্তাব করা হয়েছে ১:৮

এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কমিশন স্পষ্টভাবে আয় বৈষম্য হ্রাসকে প্রশাসনিক প্রণোদনার চেয়ে অগ্রাধিকার দিয়েছে। নীতিগতভাবে এটি একটি প্রগতিশীল সিদ্ধান্ত হলেও এর সঙ্গে একটি মৌলিক প্রশ্ন জড়িত- উচ্চ দায়িত্ব ও বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক প্রণোদনা বজায় থাকবে কি না। ভবিষ্যতে মেধা ধরে রাখা ও প্রবাসী প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই অনুপাত পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।

২. নিম্ন গ্রেডকে অগ্রাধিকার : সামাজিক বাস্তবতার স্বীকৃতি

২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে ২০,০০০ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব একটি বাস্তববাদী ও সামাজিকভাবে অনিবার্য সিদ্ধান্ত। বর্তমান মূল্যস্ফীতি, নগর জীবনের ব্যয় এবং ন্যূনতম জীবনমান বিবেচনায় এই স্তরের কর্মচারীদের প্রকৃত আয় দীর্ঘদিন ধরেই মানবিক সীমার নিচে ছিল।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কমিশন স্বীকার করেছে- সরকারি প্রশাসনের স্থিতিশীলতা নিম্নস্তরের কর্মচারীদের জীবনমানের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল; অতিরিক্ত বৈষম্য প্রশাসনিক অসন্তোষ, দুর্নীতি ও অদক্ষতার জন্ম দেয়; নীতিগতভাবে এটি রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক ভূমিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

৩. ভাতা কাঠামো : সমতা বনাম সুবিধাভোগী শ্রেণী

কমিশনের ভাতাসংক্রান্ত সুপারিশ একটি সূক্ষ্ম নীতিগত ভারসাম্য প্রতিফলন করে। যাতায়াত, টিফিন, ধোলাই ও ঝুঁকিভাতার মতো সুবিধা মূলত ১০ম-২০তম গ্রেডে সীমাবদ্ধ। ৫ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা গাড়ি সুবিধা নগদায়নসহ আলাদা সুবিধা পান।

এই বাস্তবতায় ১ম থেকে ৯ম গ্রেডে ভাতা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম রাখার সিদ্ধান্ত নীতিসম্মত ও যুক্তিসঙ্গত মনে করা হয়েছে, কারণ উচ্চ গ্রেড ইতোমধ্যেই কাঠামোগত সুবিধাভোগী।

তবে এখানে একটি ঝুঁকি রয়ে যায়- ভাতা কাঠামোর জটিলতা ও বৈষম্য যদি ভবিষ্যতে সরলীকরণ না করা হয়, তবে এটি নতুন করে অসন্তোষ তৈরি করতে পারে।

৪. রাষ্ট্রীয় আর্থিক সক্ষমতা : ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার দৃষ্টিভঙ্গি

জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে দেখা যায়, কমিশন রাজস্ব আহরণ সীমাবদ্ধতা ও বাজেট ঘাটতির ঝুঁকি মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সর্বোচ্চ বেতন সীমিত রাখা হয়েছে; ভাতা বৃদ্ধি ধাপে ধাপে ও সমন্বয়ের মাধ্যমে করার প্রস্তাব এসেছে; ১০% ও ১৫% ভাতা মূল বেতনের সাথে সমন্বয়ের সুপারিশ করা হয়েছে।

এটি একটি দায়িত্বশীল ফিসক্যাল দৃষ্টিভঙ্গি, যা হঠাৎ করে রাজস্ব ব্যয়ের বিস্ফোরণ রোধ করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

৫. প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ও রাজনৈতিক প্রভাব

বেতন কাঠামো প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের আয় বৃদ্ধি- কর্মদক্ষতা বাড়াতে পারে; অনানুষ্ঠানিক আয় বা দুর্নীতির প্রবণতা কমাতে সহায়ক হতে পারে; নির্বাচনকালীন ও রাজনৈতিক সংক্রমণকালে রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের নিরপেক্ষতা জোরদার করতে পারে।

এই দিক থেকে বেতন কমিশনের প্রস্তাব রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

৬. নীতিগত সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ সুপারিশ

যদিও প্রস্তাবিত কাঠামো সামগ্রিকভাবে প্রগতিশীল, তবু কিছু নীতিগত সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে- উচ্চ দক্ষতা ও বিশেষায়িত পদের জন্য আলাদা ইনসেনটিভ কাঠামো অনুপস্থিত। বেসরকারি খাত ও আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে প্রতিযোগিতামূলক তুলনা নেই। স্বয়ংক্রিয় মূল্যস্ফীতি-সমন্বয় (রহফবীধঃরড়হ) ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

ভবিষ্যতে একটি পারফরম্যান্সভিত্তিক ইনক্রিমেন্ট ও বিশেষায়িত স্কেল যুক্ত না হলে প্রশাসনিক মেধা ধরে রাখা কঠিন হতে পারে।

সার্বিকভাবে জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ মূলত একটি সমতা-কেন্দ্রিক, সামাজিকভাবে সংবেদনশীল ও আর্থিকভাবে সতর্ক নীতিপ্রস্তাব। এটি রাষ্ট্রকে স্বল্পমেয়াদে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা দেবে এবং নি¤œ আয়ের কর্মচারীদের জীবনমান উন্নত করবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে দক্ষতা, প্রণোদনা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার প্রশ্নে এই কাঠামো পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজন অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে।

প্রচলিত ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রেখে জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫ নিম্নোক্ত বেতন স্কেলের সুপারিশ করা হয়েছে :