সেমিনারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

জাপানে ৪ বছরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫ হাজারে উন্নীত

Printed Edition
জাপানের বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা :  নয়া দিগন্ত
জাপানের বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা : নয়া দিগন্ত

বিশেষ সংবাদদাতা

জাপানের টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জাপানে বাংলাদেশের শিক্ষার্থী বৃদ্ধি : সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জসমূহ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ স্টুডেন্টস সাপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন ইন জাপানের (বিএসএসএজে) সহযোগিতা ও দূতাবাসের উদ্যোগে এ সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। এতে শিক্ষাবিদ ও এ খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন।

বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো: দাউদ আলী।

সেমিনারে প্রধান অতিথি বলেন, গত চার বছরে জাপানে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যা পাঁচ হাজার থেকে ধাপে ধাপে ২৫ হাজারে উন্নীত হয়েছে। এটা দুই দেশের পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকার জাপানি ভাষা শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্য আরো বলেন, দূতাবাস ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত প্রচেষ্টায় টিউশন ফি পরিশোধ প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ শর্তে লোন সুবিধা চালু করা হয়েছে। তিনি ‘স্পেসিফাইড স্কিলড ওয়ার্কার কর্মসূচিকে দুই দেশের অর্থনীতির জন্য টেকসই ‘উইন-উইন’ অংশীদারিত্ব হিসেবে অভিহিত করেন। সেমিনারে বাংলাদেশ স্টুডেন্টস সাপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। দূতাবাস আয়োজিত সেমিনার নিয়ে আমিন হাসান আরিফ নামের একজন বলেছেন, বাংলাদেশে জাপানিজ ভাষা শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে জেএলপিটি পরীক্ষার্থীও বাড়ছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, অনেক শিক্ষার্থীর অনেক ভালো প্রস্তুতি থাকার পরও আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারছে না। এখন বাংলাদেশে আসন সংখ্যা বাড়ানো, বিকল্প কোনো ভাষা দক্ষতা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে তার মূল্যায়ন জেএলপিটির মতো করা হবে? এমন প্রশ্নও রেখেছেন ওই ব্যক্তি। রাশিদুল রাফিদ নামের অপর এক ব্যক্তি বলেন, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করা এবং মানবসম্পদ রফতানিতে অধিক গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি বাণিজ্য কার্যক্রম সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে উভয় সরকারই দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করছি। এ ছাড়াও, নারিতা-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু করার অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যান্য মন্তব্যকারীরা সেমিনার আয়োজনে অভিনন্দন জানিয়েছেন।