সংসদের বগুড়া ও শেরপুরের নির্বাচন

খরচের ৪.৪২ কোটি টাকা মঞ্জুরি বরাদ্দে ইসির চিঠি

হামিদুল ইসলাম সরকার
Printed Edition

আগামী ৯ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ শূন্য আসনের উপ-নির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে ১১টি খাতে ব্যয় নির্বাহের জন্য খাতগুলোর অনুকূলে অগ্রিম অর্থ মঞ্জুরি ও বরাদ্দ প্রদানের জন্য চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসার সি অ্যান্ড এজি বরাবর চিঠি দিয়েছে ইসি। নির্বাচন পরিচালনার জন্য শুধু দু’জন রিটার্নিং কর্মকর্তাকেই প্রায় পৌনে চার কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হচ্ছে বলে চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসারকে দেয়া চিঠি থেকে জানা গেছে। তবে এই বরাদ্দ মূল জাতীয় নির্বাচনের তিন হাজার ১৫০ কোটি টাকার মধ্য থেকেই ছাড় করা হচ্ছে বলে ইসি সংশ্লিষ্টরা জানান।

ইসি সূত্র জানায়, ইসি থেকে মোট ১১টি পৃথক চিঠি দেয়া হয়েছে। বগুড়া-৬ শূন্য আসন ও শেরপুর-৩ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনকার্য পরিচালনা ব্যয় নির্বাহের নিমিত্ত যে ১১টি খাতে বরাদ্দ মঞ্জুর করা হয়েছে সেগুলো হলো- দু’জন উপজেলা নির্বাচন অফিসার, দু’জন সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসার, দু’জন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, দুই জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, আঞ্চলিক নির্বাচনী কর্মকর্তাগণ, দুই জেলার জেলা ও দায়রা জজ, দুই জেলা প্রশাসক, দুই রিটার্নিং কর্মকর্তা, দুই জেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার। নির্বাচন কমিশনের উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-১) রাশেদুল ইসলাম আলাদা আলাদাভাবে এই চিঠিগুলো গতকাল পাঠিয়েছেন।

মঞ্জুরি বরাদ্দগুলো হলো, দু’জন উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে তিন লাখ ৬ হাজার টাকা, দু’জন সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসারকে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬৪০ টাকা, দু’জন উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ৩ লাখ টাকা, দুই জেলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য এক লাখ ৭০ হাজার টাকা, আঞ্চলিক নির্বাচনী কর্মকর্তাগণ ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা, দুই জেলার জেলা ও দায়রা জজের জন্য ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, দুই জেলা প্রশাসককে ২২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা, দুই রিটার্নিং কর্মকর্তাকে ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪০ টাকা, দুই জেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ১৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, বিভাগীয় কমিশনারের জন্য এক লাখ ৬০ হাজার টাকা।