এম মনিরুজ্জামান রাজরাড়ী প্রতিনিধি
রাজবাড়ীর দু’টি আসনের মধ্যে রাজবাড়ী-১ আসনে চারজন ও রাজবাড়ী-২ আসনের ৯ জনসহ মোট ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। কিন্তু এই দুই আসনের ফলাফল বিবেচনায় ১৩ জনের প্রার্থীর মধ্যে ৯ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।
রাজবাড়ী-১ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা দুই লাখ ৭১ হাজার ৯০২টি। প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট হচ্ছে ৩৩ হাজার ৯৮৮টি। এ আসনের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, জাকের পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছে আট হাজার ৮৭ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু পেয়েছে দুই হাজার ৫৮৬ ভোট। মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোটেরও কম পেয়েছেন তারা। এ জন্য নিয়ম অনুযায়ী তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু টানা তৃতীয়বারের মতন জামানত হারালেন।
অপর দিকে রাজবাড়ী-২ আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা তিন লাখ ৬৩ হাজার ১৯৪টি। এই আসনের প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট হচ্ছে ৪৫ হাজার ৪০০। এ আসনের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসিরুল হক সাবু কলস প্রতীকে ৩৬ হাজার ৩৩৮, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মালেক হাত পাখা প্রতীকে আট হাজার ৫০৩ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো: শফিউল আজম খান লাঙ্গল প্রতীকে দুই হাজার ৫২ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহেল মোল্লা ফুটবল প্রতীকে এক হাজার ২১৯ ভোট, গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো: জাহিদ শেখ ট্রাক প্রতীকে ৬৩৩ ভোট, খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী কাজী মিনহাজুল আলম দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে ৩২১ ভোট ও সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মালেক মণ্ডল ছড়ি প্রতীকে ২৬৬ ভোট পেয়েছেন। তাদের সবাই মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোটের কম পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শফিউল আজম খান লাঙ্গল প্রতীকে দ্বিতীয়বারের মতন জামানত হারালেন।
জেলা নির্বাচন অফিসার সেখ মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন জানান, কোন প্রার্থী যদি মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পান, তাহলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। সে ক্ষেত্রে জামানতের টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।



