বাজিতপুর (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা
কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক পরিচয়, স্বজনপ্রীতি ও পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যেই ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নিকলী সদরের নতুন বাজারে বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নিয়োগপ্রক্রিয়া তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন নিকলী সদর ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: ফরিদ উদ্দিন।
স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর অভিযোগ, তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেছে, যোগ্য অনেক আবেদনকারী বাদ পড়েছেন। রাজনৈতিক পরিচয় ও ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে কিছু ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য (স্বতন্ত্র) শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল-সমর্থিত বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তালিকায় আওয়ামী লীগ-সমর্থিত পরিবারের অনেক সদস্য স্থান পেয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার সমর্থক ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম লিটনসহ কয়েকজনও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে ইউএনও রেহেনা মজুমদার মুক্তি বলেন, দুই পক্ষ থেকেই অনেক সুপারিশ এসেছে। আবেদনকারীদের কেউ তথ্য গোপন করায় দু-একজন ভুলক্রমে তালিকায় ঢুকে থাকতে পারেন। এমনকি জামায়াতের এক নেতার ছেলেও ভুলক্রমে তালিকায় স্থান পেয়েছেন। তবে ঢালাও অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়। শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতাকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ডের মতো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাঠপর্যায়ের কাজে নিয়োগ নিয়ে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত চান স্থানীয়রা।



