থাকছে কঠোর নিরাপত্তা

অমর একুশে বইমেলা শুরু আজ

Printed Edition

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক

আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেলা ২টায় বইমেলার উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ তুলে দেবেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মফিদুর রহমান এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো: রেজাউল করিম বাদশা। সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।

মেলা উপলক্ষে নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনাও জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠ পরিদর্শন করছেন। দর্শনার্থীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে আগেই।

রমনা কালীমন্দির সংলগ্ন এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে পুলিশ কন্ট্রোল রুম, র‌্যাবের স্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্সের অস্থায়ী ক্যাম্প এবং আনসার প্লাটুনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। এর পাশাপাশি দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ একটি ব্রেস্টফিডিং (মাতৃদুগ্ধ পান) কর্নার স্থাপন করেছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলবে বলে জানিয়েছে বইমেলা কর্তৃপক্ষ। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিন বইমেলা চলবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

এবারের বইমেলায় ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি, মোট ইউনিট থাকবে এক হাজার ১৮টি।

এদিকে বইমেলায় তিন স্তরের নিরাপত্তা থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মো: সরওয়ার।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলা প্রাঙ্গণে গতকাল ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৬’ উপলক্ষে নিরাপত্তার পরিকল্পনা সংক্রান্ত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রতিবারের মতো এবারো সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। এবার বইমেলাকে ঘিরে কোনো আশঙ্কা নেই। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন বই পর্যবেক্ষণেও পুলিশের নজরদারি থাকবে। আমাদের পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট আছে, এরা এটা মনিটর করবে।

মেলার নিরাপত্তার কথা তুলে ধরে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো: সরওয়ার বলেন, মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। বইমেলায় সার্বিক নিরাপত্তার জন্য থাকবে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য।