ভাষান্তর : শেখ আবদুল্লাহ নূর
(গত দিনের পর)
দেখতে পেলেন সাগরতীরে অচেতন এক মানুষের পাশে বসে গান গাচ্ছে তার মেয়ে।
তার আদেশ অমান্য করে ডাঙায় গিয়েছে মেরিন্তারা! শুধু যায়নি, এক ডুবন্ত মানুষকে সে বাঁচিয়েছে! লাউতান সিংহের মুখ ক্রোধে লাল হয়ে ওঠে। মেয়ের প্রতি তার সব ভালোবাসা আর ভয় মুহূর্তেই ক্রোধে রূপ নেয়। তিনি কেবল মেরিন্তারাকে ডাঙার মানুষ থেকে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মেরিন্তারা তার আদেশ মানেনি। ‘ওকে থামাতে হবে!’ বজ্রকণ্ঠে গর্জন করে উঠলেন লাউতান সিংহ। ‘মানুষের প্রতি ওর আগ্রহ এখনই শেষ করে দিতে হবে!’
লাউতান সিংহ তার সুবিশাল ত্রিশূল হাতে নিলেন। মেরিন্তারার শয়নকক্ষে ছুটে গেলেন তিনি। এরপর সেই ঘরে সযতেœ সাজিয়ে রাখা মেরিন্তারার ঝিনুক-বাক্সটি এনে আছড়ে ফেলে দিলেন মেঝেতে। বাক্সের ভেতরে ছিল মানুষের জগতের প্রিয় জিনিসগুলো- ভাঙা কাঁচের টুকরো, কাঠের পুতুল, দূরবীণ, মরচে পড়া বোতাম, পরনের পোশাক, ঘড়ি আর সেই নতুন পাওয়া আলো-ছড়ানো আতশি কাচের চাকতিটি। (চলবে)



