নখ কাটার সঠিক নিয়ম

Printed Edition

নখ কাটার আগে ব্যবহৃত নেইল ক্লিপার বা নেইল কাটার পরিষ্কার আছে কি না, খেয়াল করুন। হাত ও পায়ের জন্য আলাদা নখ কাটার যন্ত্র ব্যবহার করলে আরো ভালো। ব্যবহারের পর নেইল ক্লিপারটি পরিষ্কার করে ভালোভাবে শুকিয়ে রাখুন। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে এতে ময়লা ও জীবাণু জমার ঝুঁকিও কমে।

গোসলের পর নখ কাটা সহজ : গোসলের পর নখ সাধারণত কিছুটা নরম থাকে। তাই তখন নখ কাটতে তুলনামূলক কম চাপ লাগে। গোসলের সুযোগ না থাকলে কয়েক মিনিট কুসুম গরম পানিতে হাত-পা ভিজিয়েও নিতে পারেন। তবে নখ ভেজানোর পর অতিরিক্ত পানি মুছে নিন। হাত বা নেইল ক্লিপার খুব পিচ্ছিল থাকলে নখ কাটার সময় হাত ফসকে যেতে পারে।

পায়ের নখ গোল করে কাটবেন না : এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পায়ের নখ কাটার সময় নখের দুই পাশ গোল করে গভীরভাবে কেটে ফেলবেন না। নখ সোজা বরাবর কাটাই ভালো। নখের কোনাগুলো বেশি ছোট করে ফেললে সেটি চামড়ার দিকে বাড়তে পারে। নখ খুব ছোট করেও কাটা উচিত নয়। পায়ের আঙুলের ডগা সুরক্ষিত থাকে, এমন দৈর্ঘ্য রাখা ভালো।

হাতের নখের নিয়ম একটু আলাদা : হাতের নখে কোনা সামান্য গোল করা যেতে পারে, কিন্তু পায়ের নখের মতো গভীরভাবে কোনা কাটা উচিত নয়। নখ কাটা হলে ধারালো বা অসমান কোণগুলো নেইল ফাইল দিয়ে সামান্য মসৃণ করে নেয়া যায়। অর্থাৎ হাতের নখের কোণ পুরোপুরি গোল করে কাটার প্রয়োজন নেই। আবার পায়ের নখের মতো একেবারে ধারালো রেখেও দেয়া উচিত নয়। মূল লক্ষ্য হলো নখের স্বাভাবিক গঠন বজায় রেখে অসমান অংশগুলো মসৃণ করা।

কাটার পর নেইল ফাইল ব্যবহার করুন : নখ কাটার পর কোথাও খসখসে বা ধারালো অংশ থাকলে নেইল ফাইল দিয়ে মসৃণ করে নিন। এতে নখ কাপড়ের সাথে আটকে যাওয়া বা ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।

নেইল ফাইল এক দিকে চালিয়ে ধীরে ধীরে মসৃণ করুন। খুব জোরে সামনে-পেছনে ঘষলে নখের কিনারা দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

ভুলভাবে নখ কাটলে কী হতে পারে : নখ খুব ছোট করে কাটা বা পায়ের নখের দুই কোনা বেশি গোল করে কাটার কারণে সবচেয়ে পরিচিত সমস্যাগুলোর একটি হলো ইনগ্রোন টোনেইল। এ সময় নখের এক পাশ বা কোনা চামড়ার ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। এতে ব্যথা, লালচে ভাব ও ফোলা দেখা দিতে পারে। সংক্রমণ হলে পুঁজও হতে পারে। এ ধরনের সমস্যা হলে নখের কোনা নিজে থেকে গভীরভাবে কেটে বের করার চেষ্টা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া ভালো। ইন্টারনেট।