মন্দিরের গয়না আত্মসাতের অভিয়োগ সভাপতির বিরুদ্ধে

Printed Edition

রাজৈর (মাদারীপুর) সংবাদদাতা

রাজৈর উপজেলার গোবিন্দপুরের ঐতিহ্যবাহী সর্বজনীন কালীমন্দিরের দেবীর স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে সেই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি দ্বীজপদ মণ্ডল। স্থানীয়দের দাবি, আনুমানিক ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। এ ঘটনায় ভক্ত ও এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ, প্রায় ১০ বছর ধরে নির্বাচন না দিয়ে অবৈধভাবে সভাপতির পদ দখলে রেখে কমিটির অনুমোদন ছাড়া গয়না বিক্রি করে সুদের বিনিময়ে বিনিয়োগ করা হয়েছে। দীর্ঘ দিন রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে রাজৈর দীঘিরপাড়ের দয়াময়ী মন্দিরের ৫.৮ একর দেবোত্তর নিষ্কর সম্পত্তি দখল করে বাড়ি বানিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট শম্ভুনাথ পাণ্ডের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত সভাপতি দ্বীজপদ মণ্ডল বলেন, আমি মন্দিরের তিন ভরি স্বর্ণ বিক্রি করেছি এবং সেই অর্থ সুদের বিনিময়ে বিনিয়োগ করেছি। কোনো অর্থ ব্যক্তিগতভাবে নিইনি। কমিটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাকে না জানিয়ে এ ধরনের কাজ ঘটে থাকতে পারে। স্থানীয় এক ভক্ত বলেন, সভাপতি নিজে কখনো মন্দিরে কোনো দান বা চাঁদা দেননি। দানকৃত সোনা বিক্রি করে সুদে লাগানোর বিষয়ে আমরা মর্মাহত।

রাজৈর উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্যসচিব সনজীব কুমার দাস বলেন, দেবোত্তর সম্পত্তি কেউ আত্মসাৎ করে পার পাবে না। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য ফ্রন্টের উপজেলা শাখার এক নেতা বলেন, মন্দিরের দানকৃত সম্পত্তি অনুমতি ছাড়া তা বিক্রি বা সুদে বিনিয়োগ করা হলে তা গুরুতর অনিয়ম।