মজুদ-পাচারের সময় দুই জেলায় সার জব্দ

সার নিয়ে সঙ্কট

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন এলাকায় সার নিয়ে সঙ্কট ও কালোবাজারির অভিযোগের মধ্যে মাগুরা ও টাঙ্গাইলে পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ সার জব্দ করা হয়েছে। মাগুরায় অবৈধ মজুদের অভিযোগে ৩২৮ বস্তা এবং টাঙ্গাইলে পাচারের সময় ৩৯৫ বস্তা সার জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দুই ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শ্রীপুর (মাগুরা) সংবাদদাতা জানান, মাগুরার শ্রীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অবৈধভাবে মজুদ রাখা ৩২৮ বস্তা সার জব্দ করেছে। এ ঘটনায় শহীদ জোয়ার্দার ও নবাব জোয়ার্দারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার আমলসার বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গতকাল সকালে শ্রীপুর কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিনা ইয়াসমিন বাদি হয়ে থানায় মামলা করার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।

কৃষি অফিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: নাজমুল ইসলাম আমলসার পূর্বপাড়া গ্রামের শহীদ জোয়ার্দারের দোকানঘর ও বাড়িতে অভিযান চালান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়ুন কবির বলেন, কৃষকদের নির্বিঘেœ সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে অফিস কাজ করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নাজমুল ইসলাম বলেন, জনস্বার্থে বাজার ও সার সরবরাহ কেন্দ্রে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মধুপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, টাঙ্গাইলের মধুপুরে কালোবাজারি করে সার পাচারের সময় ৩৯৫ বস্তা সারসহ একটি ট্রাক জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় ট্রাকচালক মিঠু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। গত শুক্রবার রাতে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার জলছত্র এলাকায় এ অভিযান চলে। শনিবার মিঠুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জব্দকৃত সার ও ট্রাক মধুপুর থানায় রাখা হয়েছে। মধুপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার মেসার্স মেজবাহ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো: মোয়াজ্জেম হোসেনের ১২৭ বস্তা টিএসপি ও ২৬৮ বস্তা মিউরেট অব পটাস (এমওপি) সার অন্যত্র পাচার করা হচ্ছিল।