দুইশ’ সাত.
সবাই যে একরকম না, এটা বুঝব কিভাবে স্যার?’
‘ঠিক আছে। অতো বুঝতে হবে না। আপনারা এখন যান। আমাদের যেতে হবে।’ নাভিদ ভারিক্কি গলায় বলল। পুলিশের কাছ থেকে নিকটবর্তী রেঞ্জের মোবাইল নাম্বারটা নিয়ে নিলো। নিজের নাম্বারটাও দিলো। তারপর মাঝির দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ইনতাজ আলী, নৌকা ছাড়। দেরী হয়ে যাচ্ছে।’
স্যারের সামনে এসে পুলিশের এরকম কেঁচোর মতো কুঁচকে যেতে দেখে ইনতাজ আলীর খুব গর্ব হলো। সে সোৎসাহে, ‘জ্বি স্যার। যাইতাছি স্যার।’ বলে দাড়ে টান দিলো।
পুলিশ নাভিদকে আবার সেলুট দিয়ে নৌকা থেকে নেমে জুয়েলের নৌকায় এলো। আরেকজন পুলিশও দেখাদেখি সেলুট কষিয়েছে। জুয়েলের নৌকা হয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ জুয়েলের গায়ে হাত বুলিয়ে বলল, ‘কিছু মনে নিয়েন না ভাই। (চলবে)



