নিজস্ব প্রতিবেদক
খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতৃবৃন্দ বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করে বলেছেন, জুলাই শহীদ ও আহতদের সহায়তা অব্যাহত রাখা, প্রশাসনিক ব্যয় সঙ্কোচন নীতি অনুসরণ, বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর বিশেষ উদ্যোগ এবং কৃষিঋণ মওকুফের কিছু কর্মসূচি সরকারের সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, গ্যাস-বিদ্যুৎ সঙ্কট এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন না হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। জ্বালানি নিরাপত্তার আশু নিশ্চয়তাও সরকার দিতে পারছে না। স্থানীয় সরকার বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক নিয়োগে দলীয় ও অযোগ্য ব্যক্তিদের পদায়ন ঘটানো হচ্ছে। বিগত ছয় মাসে তাদের ব্যর্থতার পাল্লাই ভারী।
গত বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খেলাফত মজলিস আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় সাপ্তাহিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের গণরায়কে উপো করে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধন চায়। অথচ জনগণ বিদ্যমান সংবিধানের এমন সংস্কার চায়, যার মাধ্যমে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার সব পথ রুদ্ধ হয়ে আসবে। নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারকে জনরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সংসদে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি জুলাই ও শাপলা গণহত্যাসহ ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় পদপে গ্রহণের জোর দাবি জানান তারা।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, প্রচার ও তথ্য সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফেজ মাওলানা শায়খুল ইসলাম, যুববিষয়ক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তুহিন, ডা: আবদুর রাজ্জাক আসাদ, খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া ও আবুল হোসেন।
এদিকে, গতকাল বাংলাদেশ ইসলামী মহিলা মজলিস ঢাকা মহানগরী উত্তরের কার্যালয় উত্তরা পশ্চিম থানার দাওয়াতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা মজলিসের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক সুরাইয়া খন্দকার সুমি বলেছেন, শুধু পরিবহন সেক্টরে নয়, বরং প্রতিটি কর্মসংস্থান ও প্রতিটি শিাপ্রতিষ্ঠানে নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনা থাকতে হবে। এ সময় উত্তরা পশ্চিম থানা আহ্বায়ক তাহমিনা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের দায়িত্বশীল উম্মে হাবিবা সুলতানা, মিসেস তাহমিনা আক্তার বিথী ও আলেমা জান্নাতুল মাওয়া প্রমুখ।



