একশ’ ছিয়াত্তর.
ইনতাজ আলী দাঁতে জিব কেটে বলল, ‘ছি ছি স্যার কী যে কন না স্যার। আল্লার ওপর ভরসা রাখেন। দেখবেন আমরা ফেল মারব না।’
নাভিদ বলল, ‘তোমাদের এখানকার জল হাওয়ায় কী আছে বল তো? খালি খিদে লাগে? রান্নার জোগাড়যন্ত্র কতদূর দেখো তো?’
নদীর মোহনায় আরো কয়েকটা বড় নৌকা দেখা গেল। সেখানেই দুই নৌকা দাঁড় করানো হলো। বেলা ১২টার বেশি বাজে। রান্নাবান্না শেষ। নাভিদ আর জুয়েলকেই আগে খেতে দেয়া হলো। কিন্তু খাওয়ার জন্য অযথা সময় নষ্ট করা ঠিক হবে না জানিয়ে নাভিদ সবাইকে এক সাথে খেয়ে নিতে বলল। তবুও চিরন্তন রীতি অনুযায়ী মহিলা দুজন কোনোমতেই খেতে বসল না। তারা নৌকা চলতে থাকলে পুরুষদের চোখ এড়িয়ে খাবে জানাল। নাভিদ আর জোরাজুরি করল না। খেতে বসল। মেয়েদের রান্নার ধাঁচই আলাদা। কোথায় যেন নারীত্বের ছোঁয়া বোঝা যায়। সুস্বাদু তৈলাক্ত ভেটকি মাছ যে এতটা সুস্বাদু তা না খেলে নাভিদ বুঝতে পারত না। (চলবে)



