জয়দেবপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা
গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহ আলম খলিফার বিরুদ্ধে এক অবসরপ্রাপ্ত নারী সেনাসদস্যকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহ আলম। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় সার্ভেয়ার আবুল হোসেন গেদু মিয়ার দাবি, জমি মাপাকে কেন্দ্র করে ওই নারী ও ইউপি সদস্যের মধ্যে বাগি¦তণ্ডা ও হাতাহাতি হলেও ধর্ষণচেষ্টার মতো কোনো ঘটনা তিনি দেখেননি।
অভিযোগকারী নারীর স্বামী নজরুল ইসলাম বলেন, প্রায় পাঁচ বছর আগে শাহ আলমের কাছ থেকে তারা একটি জমি কেনেন। পরে জমিটি বিক্রি করতে চাইলে শাহ আলম তা পুনরায় কেনার আগ্রহ দেখান। ১৪ লাখ টাকা মূল্যে জমিটি কেনার জন্য ১১ লাখ টাকা পরিশোধ ও তিন মাসের মধ্যে দলিল করার শর্তে বায়নাপত্র করা হয়। তবে তার দাবি, শাহ আলম ১০ লাখ টাকা দেয়ার পর বাকি এক লাখ টাকা আর পরিশোধ করেননি। জমির দখল, টাকা ফেরত ও দলিল সম্পাদন নিয়ে পরে বিরোধ তৈরি হয়।
তবে সার্ভেয়ার গেদু মিয়া বলেন, ওই দিন জমি মাপার সময় শাহ আলম সেখানে গিয়ে মাপতে নিষেধ করলে বাগি¦তণ্ডা হয়। ওই নারী মুঠোফোনে ভিডিও করছিলেন। একপর্যায়ে শাহ আলমের সাথে থাকা এক ব্যক্তি তার ফোন নিয়ে গেলে তারা সেটি উদ্ধারের জন্য শাহ আলমের বাড়ির কাছে যান। পরে স্থানীয় কয়েকজনের উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা হয় এবং ফোনটি ফেরত দেয়া হয়। তার দাবি, ওই সময় ধর্ষণচেষ্টার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
শাহ আলম বলেন, জমি বায়না করে তিনি ভোগদখলে ছিলেন। দলিল না দেয়া এবং বায়নার টাকা ফেরত না দেয়াকে কেন্দ্র করে ঘটনার দিন তাদের মধ্যে বাগি¦তণ্ডা হয়। পরে তার বাড়িতে বসে বিষয়টি মীমাংসাও হয়। এরপরই তিনি মামলার কথা জানতে পারেন।
জয়দেবপুর থানার ওসি আল মামুন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা নেয়া হয়েছে।



