নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫০টি নতুন রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স পুনর্বিবেচনার আবেদন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে নামঞ্জুর করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থাণ মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব আশ্রাফ আহমেদ রাসেল স্বাক্ষরিত (মনিটরিং শাখা) স্বারকে এ তথ্য জানানো হয়।
বিষয়টি জনশক্তি কর্মসংস্থাণ ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালককে পত্রের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে। তবে এসব লাইসেন্সের আবেদন কর্তৃপক্ষ কী কারণে বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা ওই অফিস আদেশের কোথাও উল্লেখ নেই।
মন্ত্রণালয় থেকে জনশক্তি কর্মসংস্থাণ ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়, নতুন রিক্রুটিং লাইসেন্স পুনর্বিবেচনার আবেদন নামঞ্জুর বিষয়ে নির্দেশক্রমে জানানো যাচ্ছে যে, নতুন লাইসেন্সের জন্য আবেদিত ১৫০টি প্রতিষ্ঠানের পুনর্বিবেচনার আবেদন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিবেচিত হয়নি। বিষয়টি নির্দেশক্রমে অবহিত করা হলো।
গতকাল কাকরাইলের একজন অভিজ্ঞ জনশক্তি প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক নাম না প্রকাশের শর্তে নয়া দিগন্তকে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রবাসী কল্যাণবিষয়ক উপদেষ্টার দফতরে নতুন রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স পেতে অনেকেই আবেদন করেছিলেন। এসব আবেদন সচিবের দফতর থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ৩৭০টি লাইসেন্সের নামে অনুমোদন দেয়া হয়। পরবর্তীতে ৩৭০টি থেকে ২২০টি প্রতিষ্ঠানের নামে লাইসেন্সের আবেদনের অনুমোদন চূড়ান্ত করা হয়। বাকি ১৫০টির আবেদন বিবেচনা না করে বাতিল করে দেয়া হয়েছে বলে জানি। তিনি বলেন, যে ১৫০টি লাইসেন্সের আবেদন বাতিল করা হয়েছিল সেগুলোর মালিকরা পরবর্তীতে আবারো পুনর্বিবেচনার জন্য উপদেষ্টার দফতরে আপিল আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তাদের সেই আবেদনও কর্তৃপক্ষ নামঞ্জুর করে দিয়েছেন বলে জানি। তবে কী কারণে বাতিল হলো তা আমি জানি না। তিনি বলেন, এমনিতেই বিদেশের শ্রমবাজারের অবস্থা খুব একটা ভালো না। সেখানে এই মুহূর্তে এতো লাইসেন্সের কোনো দরকার আছে বলেও মনে করছি না।



