বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)-এর অধীনে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথমবারের মতো রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ অপারেশনাল পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। ফলে বেপজার অধীন আটটি ইপিজেড ও দু’টি অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ মোট চালু শিল্পাঞ্চলের সংখ্যা দাঁড়াল ১০টিতে।
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২-এর প্রথম রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান লিজ টোব্যাকো মেশিনারি কোম্পানি লিমিটেড গত ৩ সেপ্টেম্বর বেপজা থেকে প্রথম রফতানি অনুমতি পায়। এর ধারাবাহিকতায় ৮ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটি ৫০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের টোব্যাকো মেশিনারি ইন্দোনেশিয়ায় রফতানি করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান লিজ টোব্যাকো মেশিনারি গত বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি বেপজার সাথে ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষর করে। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৩.৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং এখানে ২৯ জন কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন।
ইন্দোনেশিয়ায় প্রথম রফতানির মাধ্যমে দেশটির সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২-এর নির্বাহী পরিচালক মো: ওয়াহেদুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়ায় রফতানির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। এ প্রেক্ষাপটে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ থেকে ইন্দোনেশিয়ায় রফতানি শুরু হওয়া বাংলাদেশের রফতানি বাজার সম্প্রসারণ এবং রফতানি গন্তব্য বহুমুখীকরণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।’
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে এক হাজার ১৩৮.৫৫ একর জমির ওপর বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক ও অপারেশনাল কার্যক্রম আরো কার্যকরভাবে পরিচালনার সুবিধার্থে বৃহৎ এই শিল্পাঞ্চলকে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ ও বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ নামে দু’টি পৃথক জোনে বিভক্ত করা হয়। ইতোমধ্যে এ দু’টি জোনকে পৃথক অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে সরকার। বিজ্ঞপ্তি।



