প্রিন্স আশরাফ
একশ’ আটত্রিশ.
টাক মাথার এক ধরনের পাখি দেখা গেল। এর মধ্যে জুয়েল ফারুকের সাথে ভালোই খাতির করে নিয়েছে। ফারুক জুয়েলকে পাখির সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো। ওটা মদনটাক। যতই এগুনো যাচ্ছে ততই পাখির কলকাকলী বাড়ছে। একটা জায়গার উপর দিয়ে বেশ কয়েকটা শকুন উড়তে দেখা গেল। উড়ে আবার ভেতরে কোথায় যেন গিয়ে বসছে। শকুন মানেই কিছু মরেছে বোধ হয়। হয়তো বাঘের খাওয়া ভুক্তাবশেষ পড়ে আছে। মানুষখেকো না হলে হরিণই শিকার করেছে হয়তো। হরিণ বাঘের প্রিয় ডিশ।
হরিণ আর তাদের দেখিয়ে দিতে হলো না। হরিণের কারণেই এদিকে বাঘের আনাগোনা বেশি মনে হয়। তাছাড়া এই অনাবিষ্কৃত জায়গাটা বোধ হয় কিছুটা অভয়ারণ্যের মতো। সুন্দরবনের চিত্রল হরিণের মতো এত সুন্দর হরিণ বোধ হয় পৃথিবীর আর কোথাও নেই। চিড়িয়াখানায় মানুষ দেখতে অভ্যস্ত হরিণ দেখা একরকম আর অবাক চোখে চরের কাছাকাছি এসে বোকার মতো তাদের দেখতে থাকা হরিণ আরেক রকম। (চলবে)



