ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-২০ সিরিজ হারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাই খুব বেশি আলোচনা হয়নি তাদের নিয়ে। তবে বিশ্বকাপে এসে সেই চিত্র বদলে গেছে।
ক্যারিবীয়রা গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দারুণ ছন্দে রয়েছে। প্রথম দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে টেবিল টপার তারা। আজকের ম্যাচে জয়ী হতে পারলে নিশ্চিত হবে সুপার এইট। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নেপালের মুখোমুখি হবেন সাই হোপরা। তবে দুর্বল প্রতিপক্ষে বাতাসে গা ভাসাতে চায় না সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। গত বছর ২-১ ব্যবধানে টি-২০ সিরিজে হেরেছিল এই নেপালের বিপক্ষেই। তাই এ ম্যাচ নিয়েও যথেষ্ঠ সতর্ক তারা।
সাই হোপ বলেন, ‘নেপাল এখন আর ছোট দল নয়। গত বছর আমাদের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে, তাই আমরা তাদের হালকাভাবে নিচ্ছি না। ‘আমরা খুব ভালো শুরু করেছি। এখন ধারাবাহিকতা ধরে রেখে প্রতিটি ম্যাচকে ফাইনালের মতো গুরুত্ব দিতে হবে।
ব্যাটিংয়ে শিমরন হেটমায়ার ৩ নম্বরে আগ্রাসী ভূমিকা রাখছেন, তাকে সহায়তা করছেন রোস্টন চেজ। ইংল্যান্ড ম্যাচে ব্যাট হাতে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছেন বিপজ্জনক শেরফান রাদারফোর্ড। তবে ওয়াংখেড়ের উইকেটগুলো এখন পর্যন্ত স্পিনারদের কিছুটা সহায়তা করায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসারদের জন্য এটি হতে পারে বাড়তি পরীক্ষা।
অন্য দিকে, নেপাল বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত খুবই হতাশাজনক অবস্থায় রয়েছে। ইতালির বিপক্ষে তারা সর্বশেষ ম্যাচে পেয়েছে বড় ধাক্কা। ১০ উইকেটে বিধ্বস্ত পরাজয়। দুই ম্যাচে দুই হার নিয়ে সুপার এইটে ওঠার সম্ভাবনা এখন বেশ কঠিন হলেও নেপালের সামনে এখনো লড়াই করার মতো অনেক কিছু আছে। ২০১৪ সালের পর থেকে টি-২০ বিশ্বকাপে আর কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি তারা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তারা খুব কাছাকাছি পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত জয় পায়নি।
ইতালির বিপক্ষে ম্যাচে নেপালের ব্যাটাররা স্পিনের বিরুদ্ধে ছিল একেবারেই অসহায়। বোলিংয়েও কৌশলগত ভুল চোখে পড়েছে।
নেপাল অধিনায়ক রোহিত পাউডেল বলেন, ‘আমরা জানি ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বমানের একটি দল। কিন্তু আমাদের খেলোয়াড়দের মধ্যে ভয় নেই। আমরা এখানে শুধু অংশ নিতে আসিনি, আমরা লড়াই করতে এসেছি।’ তিনি আরো বলেন, ইতালির বিপক্ষে বড় হারের পর দল মানসিকভাবে শক্ত থাকার চেষ্টা করছে। ক্রিকেটে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ সবসময় থাকে। এই ম্যাচ আমাদের জন্য বড় সুযোগ।’



