চিনাবাদাম খেতে কার না ভালো লাগে? বন্ধুদের আড্ডায়, কখনো পার্কে বসে, কখনো আবার একা একা হাঁটতে হাঁটতে চিনাবাদাম খেতে বেশ লাগে। কারো আবার সকালে বা বিকেলে একমুঠো চিনাবাদাম খেলেই মন ভালো হয়ে যায়। শুধু স্বাদ নয়, চিনাবাদাম স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। এতে অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
চিনাবাদাম প্রোটিন, ফাইবার, ফ্যাট, ভিটামিন ও খনিজের দারুণ উৎস। বাদাম খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। নিয়মিত বাদাম খেলে হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এটা শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে, আবার ওজন ঠিক রাখতেও সহায়তা করে। কিন্তু এত গুণে ভরপুর চিনাবাদামও কিন্তু কারো কারো জন্য ক্ষতিকর।
গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু স্বাস্থ্য সমস্যার ক্ষেত্রে চিনাবাদাম পুরোপুরি এড়িয়ে চলা উচিত। যেমন-
আপনার যদি উচ্চ রক্তচাপ থাকে তাহলে অতিরিক্ত লবণ দেয়া বা ভাজা বাদাম এড়িয়ে চলুন। কারণ অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ আরো বাড়িয়ে দিতে পারে। যদি বাদাম খেতে চান তাহলে সকালে ভিজিয়ে খেতে পারেন।
যাদের গাঁটে ব্যথা, আর্থ্রাইটিস আছে, যাদের শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি তাদের চিনাবাদাম খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। যেহেতু চিনাবাদামে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি তাই এটা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এই ধরনের রোগ ব্যাধিতে যারা ভুগছেন তারা ডাক্তারের পরামর্শেই চিনাবাদাম খেতে পারবেন।
এ ছাড়া যাদের বাদামে অ্যালার্জি আছে বা বাদাম খাওয়ার পর যাদের শরীরে অস্বস্তি, চুলকানি দেখা দেয়, তাদের অবশ্যই চিনাবাদাম এড়িয়ে চলা উচিত।
আর যাদের যকৃৎ বা অগ্ন্যাশয়ের রোগ আছে, তাদের অতিরিক্ত পরিমাণে চিনাবাদাম খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এতে থাকা চর্বি এই অঙ্গগুলোর উপর আরো চাপ তৈরি করতে পারে। ইন্টারনেট।



