ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, এ ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীদের উন্নতমানের শিক্ষা দেয়া হয়। এর ফলে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা কর্মসংস্থানের প্রতিযোগিতার বাজারে সফলতা লাভ করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, এ ইউনিভার্সিটিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ যোগ্য শিক্ষকমণ্ডলীর দিয়ে পরিচালিত হয়ে আসছে। তাই এ বিভাগটি পরিপূর্ণতা লাভ করেছে। এ ইউনিভার্সিটিতে পাঁচটি অনুষদে ১৪টি বিভাগে শিক্ষা দেয়া হয়। বিভাগগুলো হলো-বায়োকেমিস্ট্রি, মাইক্রোবায়োলজি, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই), সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মেসি, আইন, ব্যবসায় প্রশাসন, ইংরেজি, সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও এমএ ইন ইংলিশ। বর্তমানে এ বিশ^বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী সংখ্য প্রায় ১২ হাজার, যার মধ্যে দুই শতাধিক বিদেশী ছাত্রছাত্রী রয়েছে। প্রায় ৪ শতাধিক পূর্ণকালীন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিনের দায়িত্ব পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক প্রফেসর ড. শওকত আরা হোসেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ফজলুল হক পলাশ বলেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান একটি সময়োপযোগী সাবজেক্ট। বিশ্বের সব দেশের মতো বাংলাদেশেও এর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। এই বিভাগে পড়াশোনা করে আমাদের শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারবে। বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এস কাদির পাটোয়ারী বলেন, ১৯৯৫ সালে ‘জ্ঞানই শক্তি’ শ্লোগানকে সামনে রেখে এ ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ স্লোগানের গুরুত্ব বহন করে এখানে পাঠ্যক্রম চালু রয়েছে। টিউশন ফি কম নিলে শিক্ষার মানের দিক থেকে আমরা কোনো ছাড় দেই না। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৪ বছরের অনার্স কোর্সের টিউশন ফি তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা। এক বছরের মাস্টার্স কোর্সের ফি এক লাখ ৫০ হাজার টাকা। তবে এখানে ১০% থেকে ১০০% পর্যন্ত মেধানুসারে স্কলারশিপের ব্যবস্থা রয়েছে।
যোগাযোগ : মূল ক্যাম্পাস : সাতারকুল, বাড্ডা, ঢাকা।
ফোন : ০১৯৩৯৮৫১০৬০-৪। বিজ্ঞপ্তি



