এফ এ আলমগীর চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গায় লাইসেন্স নবায়ন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ১৩৬টি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় অনলাইনে নিবন্ধিত ১৮৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩৬টির লাইসেন্স নবায়ন হয়নি। প্রায় তিন বছর ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গা সদরে ১৭টি ক্লিনিক ও ৩৯টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আলমডাঙ্গায় ১০টি ক্লিনিক ও ২১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, দামুড়হুদায় ছয়টি ক্লিনিক ও ১৫টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং জীবননগরে ১০টি ক্লিনিক ও ১৮টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স নবায়ন হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র না থাকা এবং চিকিৎসা-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসরণ না করাসহ বিভিন্ন কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স নবায়ন আটকে আছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ১৬২টি প্রতিষ্ঠানের আবেদনের মধ্যে মাত্র ৩৭টি পরিবেশগত ছাড়পত্র পেয়েছে। বাকি ১১৯টি প্রতিষ্ঠান এখনো প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে পারেনি।
চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা: হাদী জিয়া উদ্দীন আহমেদ বলেন, পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়ন সম্ভব হয়নি। মেয়াদ পার হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালানো হচ্ছে এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
তবে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযান সাময়িকভাবে পরিচালিত হওয়ায় পরে অনেক প্রতিষ্ঠান আবার কার্যক্রম শুরু করে। জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে তাগিদ দেয়া হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে তারা দাবি করেন।



