কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদ শূন্য থাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা একই সাথে চারটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব পালন করছেন। এতে করে সাধারণ নাগরিকের সরকারি সেবা ধীরগতির হওয়াসহ দাফতরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি ইউএনও মাঈদুল ইসলাম বদলি হওয়ায় তার দায়িত্বও সাময়িকভাবে এসিল্যান্ডের ওপর বর্তায়। এর আগে উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র অপসারণের পর প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ইউএনওকে দুই দফতরের দায়িত্ব দেয়া হয়। ইউএনও না থাকায় সেই দায়িত্বও পালন করছেন লাবনী আক্তার তারানা। পাশাপাশি উপজেলার ৫১টি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্বও তাকেই পালন করতে হচ্ছে। মোট দায়িত্বের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪টি প্রতিষ্ঠানে।
সেবা প্রত্যাশীরা অভিযোগ করে বলেন, একাধিক দফতরের দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে সময়মতো এসিল্যান্ডকে পাওয়া যায় না। এতে নামজারি থেকে শুরু করে নিয়মিত সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা।
এসিল্যান্ড লাবনী আক্তার তারানা জানান, নিয়মতান্ত্রিকভাবেই অতিরিক্ত দায়িত্ব তার ওপর এসেছে। চাপ থাকলেও তিনি সাধ্যমতো কাজ পরিচালনার চেষ্টা করছেন। দ্রুত নতুন ইউএনও পদায়ন হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত নতুন ইউএনও নিয়োগ হলে দাফতরিক সেবা সহজতর হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও কমবে।



