বিশেষ সংবাদদাতা
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ ক্যাথেরিন কুক। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার আসেন।
সাক্ষাতের সময়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমীন ও বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় দেড় দশক লন্ডনে ছিলেন তারেক রহমান। লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর এটি ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাথে প্রথম সাক্ষাৎ।
বৈঠকের পর হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, আজকে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার, নেপাল ও ভুটানের রাষ্ট্রদূত আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে দেখা করেছেন। এই সব সাক্ষাৎ সৌহার্দ্যমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তারেক রহমানের দেশে আসা এবং আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে উনার বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা সেগুলো নিয়ে রাষ্ট্রদূতদের সাথে মতবিনিময় হয়েছে। কিভাবে সম্পর্ক উন্নয়ন করা যায়, কিভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা তারা করতে পারে সে বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ হয়েছে।
তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের পরে উনাকে (তারেক রহমান) ঘিরে আমরা যেটা বলছি যে, আন্তর্জাতিক মহলে আগ্রহ আছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে উনি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত-হাইকমিশনারদের সাক্ষাৎ দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান বলেছেন, দেশের স্বার্থ বিবেচনায় রেখেই আমরা বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্ক করব যেটা আমাদের মিউচুয়াল রেসপেক্ট ও মিচুয়াল ইন্টারেস্টকে বজায় রাখবে। দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন দেশের সাথে মতবিনিময় করা হচ্ছে। কারণ বিদেশীরা দেখছেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের কাছে কত জনপ্রিয়, বাংলাদেশের মানুষ তারেক রহমানকে কোন জায়গায় দেখে বা দেখতে চায় এটা উপলব্ধি করেই এসব রাষ্ট্রদূত তার সাথে সাক্ষাতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
এর আগে বিকেলে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি ও ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাসো কর্মা হামু দর্জির আলাদা আলাদাভাবে বিএনপি চেয়ারপারসনের সাথে সাক্ষাৎ করেন।



