বগুড়া অফিস
বগুড়া সিটি করপোরেশন (বসিক) এলাকায় নকশা বহির্ভূত বহুতল ভবনের ছড়াছড়ি হলেও সেগুলো ইতঃপূর্বে ভাঙার উদ্যোগ দেখা যায়নি। তবে নবগঠিত সিটি করপোরেশনের প্রশাসন অনুমোদনহীন এসব ভবন চিহ্নিত করে ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছে।
জানা গেছে, বগুড়া উত্তরাঞ্চলের গেটওয়ে হওয়ার কারণে এখানে নতুন নতুন বহুতল ভবন নির্মাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৭৬ সালের ২ জুলাই বগুড়া মিউনিসিপ্যালিটি গঠনের পর থেকে শহরের গুরুত্ব বাড়তে থাকে। তাই এই শহরে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বসতি গড়ে উঠছে। সম্প্রতি বহুতল ভবন নির্মাণের সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে গত ২০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি করপোরেশন ঘোষণার পর বহুতল ভবন নির্মাণের চাহিদা বা আবেদনের সংখ্যা আরো বেড়েছে। বসিকের প্রকৌশল শাখার তথ্য মতে, প্রতি বছর গড়ে তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার নকশা অনুমোদন দিত বিলুপ্ত পৌর প্রশাসন। সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর এই সংখ্যা আরো বেড়েছে।
বসিক প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া শহরে নকশা বহির্ভূত ভবনের সংখ্যা এক হাজারের বেশি। এর মধ্যে রয়েছে, ভবন নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদনের আবেদন জমা দিয়ে নির্মাণ কাজ শুরু ও অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মাণ কাজ করা। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিচালিত জরিপে এখন পর্যন্ত ১৩০টির মতো বহুতল ভবন পাওয়া গেছে যেগুলো পৌর প্রশাসন থেকে ছয়তলা ভবনের নকশা অনুমোদন নিয়ে সর্বোচ্চ ১২ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, অনুমোদনহীন এসব ভবন মালিকদের চিঠি দেয়া হয়েছে। শিগগিরই সেগুলোর অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হবে।
বগুড়া সিটি করপোরেশন (বসিক) প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, অবৈধ ভবন চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। এ ছাড়া আমাদের কারিগরি সহায়তা দরকার। এরপর অবৈধ ভবন ভেঙে ফেলা হবে।



