অপবাদ দিয়ে তরুণীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

Printed Edition

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক তরুণীকে চুরির অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে নির্যাতন ও মাথার চুল কেটে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার ১৩ বছর বয়সী বোন ও সাত বছর বয়সী ভাইকেও মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে।

গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তরুণীর মা ফাতেমা বেগম সখিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, সখিপুরের ছৈয়ালকান্দি এলাকার মুদি দোকানি আবুল মোল্লার ছেলে মনির মোল্যা (২৫) দীর্ঘ দিন ধরে তরুণী ফারিয়া আক্তারকে (১৮) উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার দিন সকালে ফারিয়া তার ভাই-বোনকে নিয়ে মনিরের দোকানে গেলে তাকে অশালীন কথা বলা হয়। প্রতিবাদ করলে মনিরসহ কয়েকজন তাদের পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখেন। পরে চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে ফারিয়াকে চুরির অপবাদ দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে মারধর ও চুল কেটে দেয়া হয় এবং তার ভাই-বোনকেও রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ভুক্তভোগি তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। তবে মনির মোল্যা কুপ্রস্তাব ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা তার দোকানে চুরি করেছে। গাছের সাথে বেঁধে রাখার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন বলে স্বীকার করলেও চুল কাটা বা মারধরের সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেননি। সখিপুর থানার ওসি মোফাজ্জল হুসাইন বলেন, খবর পেয়ে তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।