নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশীয় ফলের উৎপাদন বাড়াতে ও মানুষের মধ্যে ফল খাওয়ার আগ্রহ তৈরিতে আজ বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে তিন দিনের জাতীয় ফল মেলা। রাজধানীসহ সারা দেশে এ আয়োজনের জন্য প্রায় এক কোটি ৩১ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে ফল উৎপাদনে সাফল্য এলেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার অভিযোগ করছেন চাষিরা। তাদের অনেকেই ফলের পাশাপাশি অন্য ফসল আবাদ করে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন।
‘করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করবো বারো মাস’ প্রতিপাদ্যে রাজধানীর ফার্মগেটের খামারবাড়ি সংলগ্ন কেআইবি (কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ) মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় মেলার উদ্বোধন করবেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ। উদ্বোধনের পর তিনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) আয়োজিত একটি সেমিনারে অংশ নেবেন।
জানা যায়, কৃষি মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস যৌথভাবে মেলার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
আগামী শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে।
এবারের মেলায় মোট ৭৫টি স্টল থাকছে। এর মধ্যে সরকারি ৮টি এবং বেসরকারি ৬৭টি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় ফল মেলার জন্য মোট প্রায় এক কোটি ৩১ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। জেলা পর্যায়ে মেলা আয়োজনের জন্য জেলাপ্রতি ২৫ হাজার টাকা এবং উপজেলা পর্যায়ে ১০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বাকি অর্থ জাতীয় পর্যায়ের আয়োজন ও বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশীয় ফলকে আরো জনপ্রিয় করতেই জাতীয় ফল মেলার আয়োজন। মেলায় বিলুপ্তপ্রায়, অপ্রচলিত, নতুন ও সম্ভাবনাময় নানা ফলের প্রদর্শনী থাকবে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান সারা বছর যেসব নতুন ফলের জাত উদ্ভাবন করছে, সেগুলোর সাথেও সাধারণ মানুষকে পরিচিত করা হবে।



