নি ত্যো প ন্যা স

ঘটন-অঘটন সুন্দরবন

Printed Edition
ঘটন-অঘটন সুন্দরবন
ঘটন-অঘটন সুন্দরবন

প্রিন্স আশরাফ

একশ’ একত্রিশ.

গেওয়াখালী, ভোমরখালী, চানমিয়াখালী, টিয়ারচর, কোলারচর, কালীর চর। নাভিদের কোনো নামই মনে থাকল না।

জুয়েল বেশ মজলিসি মেজাজে বলল, ‘মাঝি ভাই, আমরা কোন দিকে যাচ্ছি? আপনি কিভাবে যেতে চাচ্ছেন?’

মাঝি অনিশ্চিয়তার সুরে বলল, ‘যাতি থাকি। বাঁদার সব খাল নদী আর সাগরেরতে আয়িছে। যাতি যাতি আরেট্টা খালে, আরেট্টা নদীতে পড়তি যাতিছি। খোলপাটুয়ার দিকে চলি যাতিছি মনে হতিছে।’

মাঝি কোন দিকে যাচ্ছে সে জানে না, তাদের তো প্রশ্নই ওঠে না।

‘ওইগুলো কি হাঁসের মতো?’ জুয়েল ছোট বাচ্চার মতো কলকলিয়ে উঠল।

ফারুক এবার কথা বলল, ‘বেলেহাঁস।’

নাভিদ ফারুকের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কিরে ব্যাটা খিদে পেয়েছে নাকি?’

ফারুক দাঁত বের করে হেসে দুদিকে মাথা নাড়ল। কিন্তু নাভিদ মাঝিকে খালের পাশে নৌকা লাগিয়ে সকালের নাস্তা সেরে নিতে বলল। এখন শুকনো খাবারই ভালো। কলা, বিস্কুট, মুড়ি আর পাটালিগুড়। (চলবে)