আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হাফেজ্জী চ্যারিটির সেবা কার্যক্রম

Printed Edition
আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হাফেজ্জী চ্যারিটির সেবা কার্যক্রম
আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হাফেজ্জী চ্যারিটির সেবা কার্যক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের পাশাপাশি আর্ন্তজাতিক পরিমণ্ডলেও প্রশংসিত হচ্ছে হাফেজ্জী চ্যারিটির সেবা কার্যক্রম। সম্প্রতি হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের সেবামূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেছে মিশরের রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার সংস্থা দ্য ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর হিউম্যান রাইটস (এনসিএইচআর)। সংস্থাটির সেক্রেটারি জেনারেল ড. হানি ইবরাহিম (পিএইচডি) এবং মিশরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম কণ্ঠস্বর ও হিযবুত দাসতুর প্রধান জামিলা ইসমাইল হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এ প্রশংসা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিশর হিউম্যান রাইটস ডিপার্টমেন্টের ইকোনমিক ডিপার্টমেন্টের প্রধান, মিশর সরকারের আস্থাভাজন ও আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব ড. মামদুহ।

হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের ভেতরে সংস্থাটি দীর্ঘ দিন ধরে প্রতিবন্ধী সহায়তা, নওমুসলিমদের পুনর্বাসন ও সহযোগিতা, মক্তব ও মাদরাসা সহায়তা, দরিদ্র পরিবারের স্বাবলম্বীকরণ কর্মসূচি এবং তরুণদের জন্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

পাশাপাশি তারা আর্ন্তজাতিক পরিমণ্ডল বিশেষ করে গাজা ও সুদানে চলমান মানবিক সঙ্কটে খাদ্য সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। রাফা ও আসওয়ান বর্ডার দিয়ে আগত গাজা ও সুদানের বাস্তুচ্যুত ও সঙ্কটাপন্ন পরিবারগুলোর মধ্যে রমজান উপলক্ষে ইফতার বিতরণ এবং প্রতিটি পরিবারকে ২৭ কেজি ওজনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি।

এনসিএইচআর সেক্রেটারি সাক্ষাৎকালে গাজা ও সুদানে চলমান মানবিক সঙ্কটের প্রেক্ষাপটে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের পরিচালিত ধারাবাহিক ত্রাণ ও সহায়তা কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। গাজার রক্তাক্ত মাটি এবং সুদানের ক্ষুধার্ত শিবিরে সংস্থাটির কর্মীরা যে নিরলস মানবিক সহায়তা চালিয়ে যাচ্ছেন, তা তাদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে বলে তারা জানান।

বিশেষ করে গাজা ও সুদানে সংস্থাটির ধারাবাহিক খাদ্য সহায়তা, ত্রাণ বিতরণ এবং মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন তারা। পাশাপাশি রাফা ও আসওয়ান বর্ডার দিয়ে আগত গাজা ও সুদানের বাস্তুচ্যুত ও সঙ্কটাপন্ন পরিবারগুলোর মধ্যে রমজান উপলক্ষে ইফতার বিতরণ এবং প্রতিটি পরিবারকে ২৭ কেজি ওজনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণের কার্যক্রম সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে তারা বিস্ময় ও সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ ছাড়া মিশরের দু’টি গণমাধ্যমে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের মানবিক কার্যক্রমের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ঊমুঢ়ঃরধহ ণড়ঁঃয ঈড়ঁহপরষ-এর সাথে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারক ও সে সম্পর্কিত সংবাদ প্রকাশের বিষয়েও তারা ভূয়সী প্রশংসা করেন। হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ জানায়, তাদের মানবিক কার্যক্রমে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ও দ্বীনি ব্যক্তিত্বদের তত্ত্বাবধান ও সহযোগিতা রয়েছে, যা কার্যক্রমকে আরো বিশ্বাসযোগ্য ও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এ ধরনের স্বীকৃতি কোনো পুরস্কার নয়; বরং এটি মানবতার সেবায় তাদের দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে দেয়। ভবিষ্যতেও গাজা, সুদানসহ বিশ্বের বিভিন্ন সঙ্কটাপন্ন অঞ্চলে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।