খামেনিকে হত্যার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

অবশেষে ইরানের মরহুম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাল বাংলাদেশ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি বাহিনীর যৌথ হামলায় নিহত হন আলি খামেনি। সেই সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শুধু ‘শোক ও দুঃখ’ প্রকাশ করা হয়। তবে ৪ মাস পর অবস্থান বদলাল বাংলাদেশ সরকার।

গতকাল শুক্রবার ইরানের রাজধানী তেহরানে দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের সাথে বৈঠক করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সেখানেই তিনি বাংলাদেশের এই অবস্থান তুলে ধরেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ নিয়ে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ‘মহামান্য’ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ‘মর্মান্তিক মৃত্যুতে’ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার ‘নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা’ জানিয়েছেন। এতে আরো বলা হয়েছে, স্পিকার এই জাতীয় শোককালে ইরানের সরকার ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে সংহতি প্রকাশ করেছেন।

এ ছাড়া এ দিন স্পিকার ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যে শতবর্ষী বন্ধুত্ব এবং গভীর সাংস্কৃতিক ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্কের ওপরও আলোকপাত করেন বলে পোস্টে বলা হয়েছে। পাশাপাশি গালিবাফকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হলে একদিন পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে পশ্চিম দেশগুলোর ‘সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের’ নিন্দা জানায়। তবে বিবৃতিতে ইরানের নাম নেয়া হয়নি। এ ছাড়া বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিসহ শীর্ষ নেতাদের হত্যার বিষয়েও কিছু বলা হয়নি। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে গত ২ মার্চ আরেক বিবৃতি দেয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেখানে খামেনির মৃত্যুতে ‘মর্মাহত’ হওয়ার কথা বলে ঢাকা। তবে খামেনিকে হত্যার নিন্দা জানানো হয়নি। তবে ৪ মাস পর সেই অবস্থান পরিবর্তন করল বাংলাদেশ।