আনাদোলু
অধিকৃত পশ্চিমতীরে অবৈধ ইসরাইলি বসতিগুলোর সাথে বাণিজ্য নিষিদ্ধের বিষয়ে কানাডা সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে দেশটির মুসলিম সংগঠনগুলো এবং একজন শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার কর্মী। এই ঐতিহাসিক পদেেপর অংশ হিসেবে কানাডা আরো ১১টি দেশের সাথে যুক্ত হয়ে এই বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অটোয়ায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ন্যাশনাল কাউন্সিল অব কানাডিয়ান মুসলিমসের (এনসিসিএম) সরকারি বিষয়ক ও গণনীতি কর্মকর্তা আহমদ আল কাদি বলেন, ‘অবৈধ ইসরাইলি বসতি থেকে উৎপাদিত পণ্যের ওপর সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা জারির যে ঘোষণা সরকার দিয়েছে, আমরা তাকে স্বাগত জানাতে এখানে উপস্থিত হয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘যদিও এই পদপেটি অনেক আগেই নেয়া উচিত ছিল, তবুও ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ কানাডার ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’ আহমদ আল কাদি উল্লেখ করেন, কানাডার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই তারিখটিকে মানবাধিকার, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার প্রতিশ্রুতি হিসেবে দৃষ্টান্ত হিসেবে ব্যবহার করবে। দাভোসের ভাষণে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি যে মূল্যবোধগুলোর কথা স্পষ্ট করে তুলে ধরেছিলেন। তিনি আরো যোগ করেন, এই নিষেধাজ্ঞা স্পষ্ট করে দেয় যে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী কানাডা সত্যিই শক্তিহীন নয় এবং এসব মূল্যবোধকে সম্মান জানায় এমন একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার সমতা তাদের রয়েছে।
এনসিসিএমের প থেকে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দকে এই নিষেধাজ্ঞা এগিয়ে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান আহমদ আল কাদি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে পরিচালিত কানাডীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা এবং তাদের কর্মকাণ্ড যেন কোনো তিকর প্রভাব না ফেলে তা নিশ্চিত করা। কানাডিয়ান কাউন্সিল অব ইমামসের নির্বাহী পরিচালক ইমাম সিকান্দার হাশমি বলেন, ‘অন্য একটি জনগোষ্ঠীর উচ্ছেদ ও নিপীড়নকে টিকিয়ে রাখতে কানাডার বাণিজ্য নীতি কখনোই সহায়তা করা উচিত নয়।’



